আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: রাজধানীতে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ভবন ঝুঁকিপূর্ণ। এর বাইরে আরো একহাজার ভবনের তালিকা করেছে রাজউক। যেগুলোতে সেপ্টেম্বর থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালাবে।
পুরান ঢাকার সূত্রাপূরে ঝুকিপূর্ণ ভবন ভাঙার কার্যক্রম দেখতে এসে এসব তথ্য জানান রাজউক চেয়ারম্যান। এদিকে, সিটি করপোরেশন বলছে আইনি জটিলতার কারণে ব্যবস্থা নিতে পারছে না তারা।
শনিবার (২৮ আগস্ট) সকাল থেকে শুরু হয় হাজী বাড়ি বা 'এতটুকু বাসা' ভাঙার কাজ। গত ১৯ আগস্ট দক্ষিণ সিটির সূত্রাপুরের কুলুটোলা এলাকায় ১৯৯৫ সালে নির্মিত একটি ছয়তলা ভবন পাশের আরেকটি ভবনের ওপর হেলে পড়ে।
এরপর এ ভবনটি ভাঙার নির্দেশ দেয় রাজউক ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ঘটনাস্থলে আসেন রাজউক ও সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা। এসময় রাজউক চেয়ারম্যান জানান, পুরান ঢাকায় শৃঙ্খলা আনতে হলে অধিকাংশ দালান ভেঙে ফেলতে হবে।
রাজউক চেয়ারম্যান এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী বলেন, দু’ বছর কোভিড থাকাতে আমাদের তদারকি একটু কম ছিলো। এ মাসের নয় তারিখ থেকে ১৯টি টিম কাজ করছে। প্রায় এককোটি টাকা জরিমানা করেছি। যাদেরকে ভবন ভাঙ্গার নির্দেশ দিয়েছি তারা যদি সেটা পালন না করে তবে সেপ্টেম্বর থেকে আমরা কাজ শুরু করবো।
ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বেশিরভাগই দক্ষিণ সিটির পুরান ঢাকাসহ এর আশেপাশের এলাকায়। তবে সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী জানান, আইনি কাঠামো না থাকার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছেন না তারা।
বনানীতে এফআর টাওয়ারে আগ্নিকাণ্ডের পর ঝঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করতে মাঠে নামে রাজউক। সে সময় ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ২ লাখ ৪ হাজার ১০৬টি ভবনের মধ্যে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬২৫টি ভবন নিয়ম ভঙ্গ করে নির্মাণ করার তথ্য পায় সংস্থাটি।
-এএ