রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬ ।। ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১২ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নেতৃত্ব কে দেবেন? ওমরাহ পালনে গিয়ে জেদ্দায় আটকা পড়লেন মুশফিকুর রহিম হাজিদের সেবা দিলে পুরস্কার, কষ্ট দিলে শাস্তি: ধর্মমন্ত্রী ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জমিয়তের ‘ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলা আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার ব্যর্থতার আরেকটি ঘৃণ্য দৃষ্টান্ত’ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি আর নেই, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক কাতার প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা চবিতে কওমি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ১০ দিনব্যাপী ফ্রি কোরআন শিক্ষা সম্পন্ন জাকাত কি আমরা পরিপূর্ণ আদায় করছি? এবারের নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের অর্জন কী?

৪ প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করল ই-ক্যাব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ই-অরেঞ্জসহ চারটি প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত করেছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) সংগঠনটি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ই-ক্যাবের সদস্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কিছু সদস্য প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ই-ক্যাব অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। ভোক্তা ও বিক্রেতাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে ভিন্ন ভিন্ন অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে। এরমধ্যে অভিযোগের বিষয়ে জবাব না দেওয়া অথবা সন্তোষজনক জবাব না দেওয়ার কারণে চারটি প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

এই চারটি প্রতিষ্ঠান হলো- টুয়েন্টিফোর টিকেটি.ডট কম (24tkt.com), গ্রিন বাংলা ই-কমার্স লিমিডেট, (www.greenbangla.space), এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড এ্যাগ্রো ফুড এন্ড কনজ্যুমার লিমিটেড, (www.excellentbigbazar.com), ই-অরেঞ্জ ডট কম (www.eorange.shop)।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানসমূহের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে সেগুলো হলো- অর্থ আত্মসাৎ, ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি না করা, ই-ক্যাবের কারণ দর্শানো ও সতর্কীকরণ পত্রের জবাব না দেওয়া, ই-ক্যাবের পাঠানো অভিযোগের সমাধান না করা, 'ডিজিটাল কমার্স নির্দেশিকা ২০২১' প্রতিপালন না করা ও এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা করা।

এতে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯টি প্রতিষ্ঠানের কেউ কেউ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কেউ কেউ অভিযোগ নিষ্পত্তি ও ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা-২০২১ মেনে চলার প্রতিশ্রুতিসহ সময় চেয়েছে। তাই ৯টি প্রতিষ্ঠানকে পর্যবেক্ষণে রেখে অধিকতর তদন্ত চলছে। সন্তোষজনক সমাধান না হলে তাদের বিষয়ে অনুরূপ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

ই-ক্যাব ক্রেতার আর্থিক নিরাপত্তার স্বার্থে অস্বাভাবিক অফার দেওয়া পণ্য কেনাকাটায় সাবধানতা অবলম্বনের অনুরোধ করছে এবং যেসব প্রতিষ্ঠান 'ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১' প্রতিপালন করছে না সেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কেনাকাটা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেছে।

এছাড়াও ই-ক্যাব জানিয়েছে, ক্রেতা-ভোক্তারা কোনো প্রতিষ্ঠান দ্বারা প্রতারিত হয়ে থাকলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করতে পারেন।

সংগঠনটি জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনসহ বিভিন্ন সরকারি তদন্ত সংস্থাকে ই-ক্যাব অব্যাহতভাবে সহযোগিতা করে আসছে।

অস্বাভাবিক অফার বন্ধ করা, সময় মতো পণ্য ডেলিভারি করা, ব্যাংক ডিপোজিটের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা, 'ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১' প্রতিপালন, দেশের প্রচলিত আইন মেনে চলা, ভোক্তা অধিকারে আসা অভিযোগ দ্রুত সমাধান ও ই-ক্যাবের অভিযোগের সমাধান করে প্রতিবেদন পেশ করতে সদস্য প্রতিষ্ঠানসমূহকে নির্দেশনা দিয়েছে ই-কমার্সভিত্তিক এই সংগঠনটি।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ