সারিব সুইজা: রাহনুমা ফাউন্ডেশন একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এর উদ্দেশ্য—বিপদ ও সমস্যাগ্রস্ত মানুষের জন্য কাজ করা। আপনারা জানেন, করোনা মহামারি তছনছ করে ফেলেছে দেশের প্রায় প্রতিটি খাতকে। কোনো-না-কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত আমরা সকলেই। কারও পরিস্থিতি এত নাজেহাল, সব থমকে পড়েছে—বন্ধ উপার্জন! পরিস্থিতি এত নাজুক, কেউ কারও পাশে দাঁড়ানোর নেই।
এমনতর আকস্মিক আঘাতে বিপর্যস্ত প্রকাশনা-সেক্টরও! পর্যদুস্ত এই সেক্টরের অনেক নাম-না-জানা মানুষ! আমরা বইয়ের জগতের মানুষ বলে, তাদের পাশে দাড়ানোই আমাদের আগে উচিত বলে—তাদের পাশে দাঁড়াতে চাই আমরা সবার আগে!
মাশুক রহমান রহ.। বইপাগল একজন অসম্ভব সুন্দর মানুষ। তাকে চিনি আমরা বইপাড়ার অনেকেই, কেউ-কেউ হয়তো চেনে না। মাশুক রহমান শুধু নিজে পড়তেন না, তিনি মনে-প্রাণে চাইতেন—এই পড়াপড়ির ধারা ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে—সবার ভেতরে। শুধু চাইতেন না, এজন্য কাজ করতেন! নিজ উদ্যোগে বই পৌঁছে দিতেন মানুষের কাছে—নানান উপায়ে! ভালোবাসতেন আলেমদেরকে; আলেম লেখকদেরকে।

আমরা যখন প্রকাশনা-সেক্টরের বিপদগ্রস্ত মানুষদের নিয়ে কাজ করার ভাবছি, আলাপ-আলোচনা করছি, তখনই প্রয়াত হন সুপ্রিয় মাশুক রহমান। আমরা অত্যন্ত ব্যথিত ও মর্মাহত হই; আমাদের বইজগত নিয়ে যে মাশুক রহমানের এত আয়োজন, এত ভাবনা ছিল—তার জন্য কিছু করার জন্য আমাদের মন কেঁদে ওঠে! আমাদের মনে হয়, এখন তিনি যে-জগতের বাসিন্দা, সেখানে তার জন্য সওয়াব রেসানি আর মাগফেরাত কামনার চেয়ে বড় কিছু আর হতে পারে না! আমরা সিদ্ধান্ত নিই, প্রকাশনা-সেক্টরের সমস্যাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই সহায়তা-কার্যক্রম আমরা পরিচালনা করব তার সওয়াব রেসানি এবং মাগফেরাত কামনার উদ্দেশ্যে।
রাহনুমা ফাউন্ডেশনের এই সহায়তা-কার্যক্রমটি পরিচালিত হবে বিসিপের (বাংলাদেশ সৃজনশীল ইসলামি পুস্তক প্রকাশক সমিতি) যৌথ উদ্যোগে। আরও অনেক বিখ্যাত ও গুণীজন আমাদের কাজে যুক্ত হয়ে যেভাবে আনন্দ দিয়েছেন, সাহস জুগিয়েছেন—তাতে আমরা প্রাণিত হয়েছি! মনে হয়েছে, আমরা সবাই সর্বাত্মকভাবে স্ব-স্ব জায়গা থেকে এগিয়ে এলে সমস্যাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ মিশন অবশ্যই সুন্দর একটি সমাপ্তিতে পৌঁছুবে, ইনশাআল্লাহ ।
এছাড়াও বইয়ের দুটি উল্লেখযোগ্য বড় গ্রুপ—‘ইসলামি বই’ ও ‘বইপোকাদের আড্ডাখানা’—আমাদের এ কাজের প্রচার-সহযোগী। সহযোগিতায় আরও রà§