মাওলানা লিয়াকত আলী- বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন আলেমে দীন। একাধারে একজন সফল মুহাদ্দিস ও সংবাদকর্মী। বাংলাদেশের সংবাদপত্র বা সাংবাদিকতা অঙ্গনে যে কয়জন আলেমে দীন তাদের মেধা ও শ্রম দিয়ে গ্রহণযোগ্য একটি স্থান অর্জন করে নিতে সক্ষম হয়েছেন মাওলানা লিয়াকত আলী তাদের অন্যতম।
বর্তমান সময়ে দরস তাদরিসের বাইরে তরুণ আলেমদের বিকল্প কর্মসংস্থান বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও বিস্তারিত কথা বলেছেন তিনি আওয়ার ইসলামের প্রতিবেদক নুরুদ্দীন তাসলিমের সাথে। ৩ পর্বের ধারাবাহিক সাক্ষাৎকারটির প্রথম পর্ব তুলে ধরা হলো আজ।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তরুণ আলেমদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জোর দাবি উঠছে, বিষয়টিকে কিভাবে দেখেন?
বিগত কয়েক বছর ধরে তরুণ আলেমদের কর্মসংস্থান সংকটের বিষয়টি প্রকট আকার ধারণ করছে। আল্লাহ তায়ালার রহমতে প্রত্যেক বছর আমাদের মাদ্রাসাগুলো থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ যোগ্যতা সম্পন্ন আলেম বের হচ্ছে; কিন্তু সেই পরিমাণে কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না।
আমাদের আলেমদের প্রধান কর্মসংস্থান মসজিদ-মাদ্রাসা। প্রতিবছর যে পরিমাণে তরুণ আলেমরা বের হচ্ছে, সে পরিমাণে মসজিদ-মাদ্রাসা বাড়ছে না, বাড়লেও সেই হারে বাড়ছে না যে হারে তরুণ প্রতিভা বের হচ্ছে, তাই নতুন পথ ও কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না।
একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি ক্লিয়ার হবে- কোন মাদ্রাসায় দুই পদে শিক্ষক প্রয়োজন; সেখানে নবীন-প্রবীণ মিলিয়ে ইন্টারভিউ দিতে উপস্থিত হতে দেখা যাচ্ছে অনেককে, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের জন্য তো সবাইকে চাকরি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
দিনকে দিন এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করবে বলে মনে হচ্ছে, এটা খারাপ প্রতিক্রিয়াও ফেলতে পারে, এতে করে যারা মাদ্রাসায় পড়তে চান অথবা যে সমস্ত অভিভাবকেরা নিজের সন্তানকে মাদ্রাসায় পড়াতে চান তারা হয়তোবা পিছিয়ে আসতে পারেন।
বর্তমানে যেহেতু মাদরাসায় শিক্ষার্থী বেড়েছে এবং বাড়ছে; তাই আলেমদের বিকল্প কর্মসংস্থান ও বিকল্প পেশায় যুক্ত হওয়া সময়ের দাবি।
দীর্ঘকাল ধরে দরস-তাদরিসই কওমি পড়ুয়াদের কর্মসংস্থানের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে পরিচিত, এক্ষেত্রে হঠাৎ ভিন্ন পেশায় যুক্ত হতে গিয়ে অনেকেই আড়ষ্টতায় ভোগেন- এব্যাপারে আপনার পরামর্শ কি?
এটা ঠিক যে দীর্ঘকাল ধরে আমাদের ওলামায়ে কেরাম, বিশেষত দারুল উলুম দেওবন্দের ধারার সাথে যারা যুক্ত তারা দরস-তাদরিসকে তাদের অন্যতম কর্মসংস্থান হিসেবে বেছে নিà