শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

চলতি বছরে বাংলাদেশের ২০০০ শিক্ষার্থীকে ‘মুক্তিযোদ্ধা বৃত্তি’ দেবে ভারত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের উত্তরাধিকারীদের প্রতি বছর বৃত্তি দিচ্ছে ভারত। চলতি বছর এই বৃত্তি পেতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের দুই হাজার শিক্ষার্থী।

গত বুধবার ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অনন্য ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার রয়েছে। আমাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে অভিন্ন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং ভৌগোলিক উপাদানের ভিত্তিতে। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় এবং জনগণের উন্নতির জন্য বাংলাদেশের জাতীয় প্রচেষ্টাকে সমর্থন করায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফরের ধারাবাহিকতায় কোভিড-১৯ মহামারি মধ্যেও এই বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।

এটি বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম মানুষের সঙ্গে ভারতের সরকার ও জনগণের অন্তর্নিহিত প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে সেখানে।

ভারতীয় হাইকমিশনের দেয়া তথ্যমতে, ২০০৬ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা উত্তরাধিকারীদের জন্য ‘মুক্তিযোদ্ধা বৃত্তি প্রকল্প’ শুরু করেছিল ভারত সরকার। প্রাথমিকভাবে উচ্চ মাধ্যমিক এবং স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেয়া হয়েছিল। স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর ২৪ হাজার টাকা করে চার বছর এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের ১০ হাজার টাকা করে দুই বছর বৃত্তি দেয়া হয়েছিল।

২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে নতুন বৃত্তি প্রকল্প ঘোষণা করা হয়। এর অধীনে পরবর্তী পাঁচ বছরে ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেবে ভারত। মুক্তিযোদ্ধা উত্তরাধিকারী উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের এককালীন ২০ হাজার টাকা এবং স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের এককালীন ৫০ হাজার টাকা করে বৃত্তি দেয়া হবে। উভয় প্রকল্পের জন্য ভারত সরকার ৩৫ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, চলতি বছর উচ্চ মাধ্যমিক এবং স্নাতক পর্যায়ের এক হাজার করে মোট দুই হাজার শিক্ষার্থী এই প্রকল্পের আওতায় বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সারা দেশ থেকে উপযুক্ত শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করতে সহযোগিতা করেছে।

এবছর থেকে ডিজিটাল ইন্ডিয়া উদ্যোগের সঙ্গে ডিরেক্ট ব্যাংক ট্রান্সফার (ডিবিটি) পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বৃত্তির টাকা সরাসরি জমা হবে। গত বুধবার (৩১ মার্চ) থেকে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার গুলশান শাখায় সরাসরি বৃত্তির টাকা হস্তান্তর শুরু হয়েছে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ