শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

আজানে আমার ঘুমের ব্যাঘাত ও মাথাব্যথা শুরু হয়: উপাচার্য

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ফজরের সময় মাইকের আজানে আমার ঘুমের ব্যাঘাত ও মাথাব্যথা শুরু হয় বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সঙ্গীতা শ্রীবাস্তব। এজন্য অবিলম্বে তার বাড়ির কাছে অবস্থিত মসজিদে মাইকে আজান বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। এজন্য জেলা প্রশাসককে চিঠিও দিয়েছেন তিনি।

চিঠি পাওয়ার পর জেলা প্রশাসক তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে, আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হবে। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকেই মাইকে আজান বন্ধে মত দিয়েছে। শোনা যাচ্ছে উল্টো কথাও। অনেকেই বলছে, রাজ্য ক্ষমতায় বিজেপি আসার পর থেকেই এগুলো ঘটছে।

জেলা প্রশাসক ভানুচন্দ্র গোস্বামীর কাছে লেখা চিঠিতে সঙ্গীতা বলেন, আজান থেমে গেলেও আর ঘুমাতে পারেন না। মাথা ব্যথা করে। সারাদিনের কাজেও এর প্রভাব পড়ে। তবে তিনি কোনও ধর্মের বিরোধী নন বলেও জানান সঙ্গীতা। কিন্তু রমজানের সময় ভোর ৪টা থেকে মসজিদের মাইকে যেভাবে ঘোষণা শুরু হয়, তাতে এলাকার মানুষদের অসুবিধা হয় বলে চিঠিতে লিখেছেন এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। ওই চিঠির কপি ইতোমধ্যেই ডিভিশনাল কমিশনারের কাছেও পাঠিয়েছেন তিনি।

এদিকে সঙ্গীতার এমন অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অযোধ্যার সন্ন্যাসী ও পুরোহিতরা তাকে সমর্থন করছেন। তাদের দাবি, জোরে নয় বরং মাইকে যদি মাঝারি শব্দে আজান দেয়া হয় তাহলে কারও অসুবিধেই হবে না। সমর্থন দিয়েছে বিজেপিও।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ