শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

নিখোঁজ হওয়ার ৫ মাস পর মাদরাসা ছাত্র নাঈম উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নেত্রকোনায় মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ হওয়ার ৫ মাস পর নাঈম হোসেন (১৪) নামে এক শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে দুর্গাপুর থানার পুলিশ।

আজ মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) রাতে ময়মনসিংহ থেকে উদ্ধার করে শিশুটিকে দুর্গাপুর থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া নাঈম নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের রামবাড়ি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। সে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল।

গত বছরের ১১ অক্টোবর আব্দুর রাজ্জাক ছেলেকে দেখতে মাদ্রাসা যান। কিন্তু মাদ্রাসায় ছেলেকে দেখতে না পেয়ে শিক্ষকদের কাছে জানতে চাইলে তারাও কিছু জানাতে পারেন না। পরে ছেলের সন্ধানে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন। কোন সন্ধান না পেয়ে নাঈমের বাবা আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে ওই বছরের ১৫ নভেম্বর মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে আসামি করে দুর্গাপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর শিশুটির সন্ধানে মাঠে নামে দুর্গাপুর থানা পুলিশ। বিভিন্ন স্থানে খুঁজাখুঁজি করে একপর্যায়ে মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) রাতে ময়মনসিংহের একটি বাজার থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এদিকে উদ্ধার হওয়া পর শিশু নাঈম জানিয়েছে তাকে অপহরণ করা হয়নি। মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতে ভালো লাগে না বলে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে ছিল। কিন্তু এ ঘটনায় যদি তাকে মারধর করে বাড়ির লোকজন তাই এতদিন ভয়ে পরিবারের কাছে ফিরেনি শিশু নাঈম।

এ ব্যাপারে দুর্গাপুর থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত মীর মাহবুবুর রহমান সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শিশুটি ওই মাদ্রাসায় পড়াকালে এক বাড়িতে লজিং থাকতো। শিশুর বাবা মামলাটি করলে আমরা আমলে নিয়ে তার খোঁজ করি। কিন্তু কোন ফোন না থাকায় আমরা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে সোর্স লাগিয়ে তাকে খুঁজে পাই। তবে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলাটি মিথ্যা বলেও জানান তিনি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ