শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

স্ত্রী-সন্তানকে ফিরে না পাওয়ার অভিমানে যুবকের আত্মহত্যা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আদালতে মামলা করেও স্ত্রী-সন্তানকে ফিরে না পাওয়ার অভিমানে পেটে ছুরিকাঘাত করে আত্মহত্যা করেছেন হাফিজুর রহমান নামে এক যুবক। আজ (১৪ ডিসেম্বর) সোমবার দুপুরে হবিগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণের নিমতলায় এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

হাফিজুর রহমান হবিগঞ্জ শহরতলীর কামড়াপুর এলাকার নুর মিয়ার ছেলে। তবে তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সুলতান মাহমুদপুর এলাকায় বসবাস করতেন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানায়, প্রায় দুই বছর আগে নিহত হাফিজুর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয় বানিয়াচং উপজেলার খাগাউড়া গ্রামের আব্দুল খালেকের মেয়ে বুশরা বেগমের। বিয়ের পর তাদের ছেলে সন্তান হয়েছে। সম্প্রতি পারিবারিক বিষয় নিয়ে হাফিজুল ও তার স্ত্রী বুশরার মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকত। এরই জেরধরে কিছুদিন আগে বুশরা তার সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান।

কিন্তু হাফিজুর তার স্ত্রী ও সন্তানকে ফিরিয়ে আনতে বার বার শ্বশুরবাড়ি গেলেও বিষয়টির কোন সুরাহা হয়নি। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে গত ১৫ অক্টোবর হাফিজুল ইসলাম ১০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি উদ্ধার মামলা করে। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে হবিগঞ্জ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এ বুশরার জবানবন্দি দিলে আদালত তাকে তার মা খুদেজা বেগমের জিম্মায় দেন।

সূত্রটি আরো জানায়, এরপর ক্ষোভে অভিমানে হাফিজুর আদালত প্রাঙ্গণের নিমতলায় এসে ছুরি দিয়ে নিজ পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি মুহূর্তেই জানাজানি হলে হাসপাতাল এলাকা ও থানা প্রাঙ্গণে শতশত লোক ভিড় জমায়।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) দৌস মোহাম্মদ জানায়, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্তের পর এর পেছনে অন্য কোন কারণ আছে কি না জানা যাবে।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ