ফিলিস্তিন ও পূন্যময় নগরী আল কুদস (জেরুজালেম)-এর প্রতি বিশ্ব সংহতি বিষয়ক গত শনি ও রোববার দুইদিনব্যাপী একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 'আল কুদসু আমানাতুন, ওয়াত তাতবিয়ু খিয়ানাতুন' অর্থাৎ 'জেরুজালেম একটি আমানত এবং নরমালাইজেশন একটি খেয়ানত' শীর্ষক এই সভায় বিশ্বের বড় বড় ইসলামিক স্কলার, বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদ আমন্ত্রিত হন। এদেরমধ্যে অংশ নেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি ‘ম্যান্ডেলা ম্যান্ডেলা’। ফিলিস্তিন এবং বর্তমান ভূ-রাজনীতি নিয়ে তিনি আলোচনা করেন। ইয়েনি শাফাক আরবি থেকে তার আলোচনা ভাষান্তর করেছেন আওয়ার ইসলামের কন্ট্রিবিউটর বেলায়েত হুসাইন।
আমার দাদা নেলসন ম্যান্ডেলা যেভাবে রিক্তহস্তে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন শুরু করেছিলেন, ঠিক তেমন-ই ফিলিস্তিনিরা খালি হাতে দখলদার ইসরায়েলের মোকাবেলা করছে। আল কুদস ফিলিস্তিনের স্থায়ী রাজধানী- এক্ষেত্রে যারা ইসরায়েলের সমর্থক তাদের সময় অচিরেই শেষ হয়ে আসছে- যেভাবে পতন হয়েছে ট্রাম্পের।
ফিলিস্তিন-ইসরায়েল প্রশ্নে আমাদের দেশের জনগণের সমর্থন ফিলিস্তিনিদের অনুকূলে রয়েছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি- আল কুদস বাস্তবিক অর্থে কখনোই অন্য কারো হবে না- ফিলিস্তিনিরাই এটির মূল মালিক।
ইসরায়েলের দখলনীতির মোকাবেলায় আমি আজ আবার ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়িয়ে আমাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছি। কারণ, আফ্রিকার সবচেয়ে সঙ্কটময় মুহূর্তে ফিলিস্তিনি জনগণের অবস্থান আমাদের পক্ষে ছিল। বর্ণবাদ বন্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিটি ফোরামে ফিলিস্তিন আমাদের পক্ষে আওয়াজ তুলেছে।
আমরা আল কুদস নগরীকে ফিলিস্তিনের স্থায়ী রাজধানী বিবেচনা করি এবং এর স্বীকৃতি দিই। সদ্যবিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প আল কুদসকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি দিয়ে বিশ্বের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। ব্যাপারটি এমন মনে হয়েছে যে- তিনি নিজেই যেন আল কুদসের মালিক।
যে ধর্মের যারাই আল কুদস ইস্যুতে ইসরায়েলের পক্ষ অবলম্বন করেছে তারা ফিলিস্তিন এবং আল কুদসের পবিত্র অবস্থানের প্রতি মূর্খতা প্রদর্শন করেছে। কেননা, পূন্যময় এই শহর কোন বাণিজ্যপণ্য নয়।
বিশেষত সেসব আরব দেশ যারা নরমালাইজেশন চুক্তি সমর্থনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েলের সামনে মাথা নত করেছে তাদের প্রতি আমার সতর্কতা হলো- খুব শিগà¦