শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির

ওলামায়ে হক্কানির দিকনির্দেশনা ছাড়া সহিহ তাবলীগ চলতে পারে না: আল্লামা বাবুনগরী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইশতিয়াক সিদ্দিকী, ।।
হাটহাজারী প্রতিনিধি>

ওলামায়ে হক্কানির দিকনির্দেশনা ছাড়া সহিহ তাবলীগ চলতে পারেনা বলে মন্তব্য করেছেন হাটহাজারী মাদরাসার শায়খুল হাদীস ও শিক্ষা পরিচালক, হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

গতকাল ২৩ অক্টোবর শুক্রবার বাদ মাগরিব চট্টগ্রাম লাইভলেইন মার্কাজে হাজার হাজার ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদি জনতার উপস্থিতিতে আসমানী ইলমের গুরুত্ব সম্পর্কে বয়ানকালে আল্লামা বাবুনগরী বলেন,আল্লাহ তায়া’লা ইরশাদ করেছেন, হে নবী সা. আপনি বলুন যে,যারা আসলামী ইলম জানে আর যারা আসমানী ইলম জানে না তারা কি সমান হতে পারে? অর্থাৎ কখনো সমান হতে পারে না।

আল্লামা বাবুনগরী আরো বলেন, তরীকতের সম্রাট,শরীয়তের বাদশাহ আরেফ বিল্লাহ মোল্লা রুমী রহ. বলেছেন,সমগ্র পৃথিবী আকৃতি মাত্র। এর রূহ বা জান হলো আসমানী ইলম। এবং পুরো জগতের বাদশা হযরত সোলায়মান আ. এর বিশাল ক্ষমতার মূল রহস্য বা কারণও ছিলো আসমানী ইলম।

সবকিছু হযরত সোলাইমান আ. এর হুকুম মেনে চলতো। অর্ডার পালন করতো। এমনকি গর্তের পিঁপড়া, সমুদ্রের মৎস এবং আকাশের বাতাসও সোলায়মান আ. এর অধীনস্থ ছিলো। এই বিশাল ক্ষমতার কারণ কোন ধন সম্পদ বা অস্ত্র- সস্ত্র ছিলোনা। এর মূল কারণ ছিলো আসমানী ইলমের শক্তি।
এই ইলমে রব্বানী এবং উলুমে নবুওয়াত যাঁদের বুকের মধ্যে আছে তারাই হক্কানি আলেম।

কুরআনে পাকে আল্লাহ তায়া’লা ইরশাদ করেছেন,হক্কানি আলেমরাই শুধুমাত্র আল্লাহকে ভয় করে। যারা আল্লাহ তায়া’লাকে ভয় করেনা তারা বাস্তবে আলেম-ই নয়। এই হক্কানি আলেমদের বড় দায়িত্ব হলো দাওয়াত ও তাবলীগের লাইনেও মেহনত করা। আল্লাহর রাসুল সা. যেখানেই যেতেন দাওয়াতের কাজ করতেন। রাসুল সা. এর আপন চাচা খাজা আবু তালেব যখন মৃত্যু সহ্যায় তখন তিনি চাচাকে দেখতে গেলেন। গিয়ে দেখলেন সেখানে আবু জাহেল সহ অনেক বড় বড় কাফেরদের সর্দাররা উপস্থিত। তার পরও সেখানে রাসুল সা. দাওয়াতের কাজ করেছেন,দাওয়াতের মিশন চালু রেখেছেন।

রাসুল সা. নিজের চাচা আবু তালেবকে ইসলাম কবুল করার জন্য প্রকাশ্যে দাওয়াত দিয়েছেন। আবু জাহেল এই দাওয়াতের বিরুধীতা করলেও রাসুল সা. বিন্দুমাত্রও সংকোচ করলেন না।

মোদ্দাকথা হলো,হক্কানি আলেমরা দাওয়াতে তাবলীগের ময়দানে আসতে হবে। আল্লাহর বান্দাদেরকে হকের রাস্তা দেখাতে হবে। রাসুল সা. এর উম্মতদেরকে রাসুলের পথ দেখাতে হবে। একজন দাঈ ইলম,আমà¦