শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাজধানীতে ‘বযমে নাতে মুস্তফা (সা.)’ অনুষ্ঠিত দেশপ্রেম দেখাতে শব্দ চয়নে সতর্ক বার্তা মুফতি শামাইল নদভীর ‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আজ কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ

আকবরকে ধরতে এত সময় লাগার কারণ জানতে চান আসিফ নজরুল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সিলেটের পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান হত্যার বিচার নিয়ে সারাদেশে চলছে সমালোচনার ঝড়। এ ঘটনা নিয়ে একটি সমালোচনামূলক মন্তব্য প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে দেয়া পোস্টটি আওয়ার ইসলামের পাঠকদের জন্য হুবহু দেয়া হলো।

‘সিলেটে রায়হান মারা গেছে ফাঁড়িতে, পুলিশের পিটুনিতে। অথচ প্রথমবার ময়নাতদন্তে ডাক্তার আঘাতের কোনো চিহ্ন পায়নি। ২য় ময়নাতদন্তে ডাক্তার পেয়েছে শতাধিক আঘাতের চিহ্ন। এই প্রথম ডাক্তারের মতো কিছু ডাক্তারের কারণে খুনের বিচার করা যায় না, ক্ষমতাশালীরা অবাধে খুন করার সাহস পায়।

খুনের আলামত সম্পর্কে মিথ্যাচার ফৌজদারী অপরাধ। এ ধরনের ডাক্তারদের বিচার করতে হবে। এরকম ডাক্তারের মতো এস আকবরকে পালিয়ে যেতে ও পালিয়ে থাকতে সহযোগিতা করার লোকও আছে। এদের কেন আইনের আওতায় আনা হয় না? কেন আকবরের মতো অমানুষকে ধরতে এতো সময় লাগছে? ডিজিটাল যুগ না এটা?’

উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতন পর ওসমানী হাসপাতালে রায়হান নিহত হন। নগরীর রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে কাজ করতেন তিনি। এই ঘটনায় সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত আড়াইটার সময় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে সিলেট কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন নিহতের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি।

রায়হান নিহতের ঘটনায় ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই আকবর হোসেন ভূইয়া, কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, তৌহিদ মিয়া ও টিটুচন্দ্র দাসকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া এএসআই আশেক এলাহী, এএসআই কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজিব হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়।

গত ১৩ অক্টোবর থেকে প্রধান অভিযুক্ত এস আই আকবর হোসেন ভূইয়া পলাতক হলেও অপর তিনজন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ