আওয়ার ইসলাম: ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনে মারামারির সূত্র ধরে চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে। এতে নারীসহ আটজন আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার বিকেলে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
করোনাকালে ডেলি বেসিকে নিয়োগপ্রাপ্ত বেসরকারি কর্মচারীদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে অনেকে দাবি করেন।
সংঘর্ষে আহতরা হলেন- আয়েশা মনসুর বিউটি (৩৫), মুহা. মনসুর (৪৫), আল আমিন (২০), আকাশ (২৫), পাভেল (২৫), বুলি (২২), পথচারী মুহা. মোস্তফা (২৮) ও জুনায়েদ (২৫)। তাদের ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্টাফ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ড ঢাকা মেডিকেল কলেজ ইউনিটের সভাপতি মুহা. রমিজ ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুল খালেক গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এর জের ধরে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল নতুন ভবনের সামনে ফের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি মীমাংসার জন্য বিকেল ৩টার দিকে কর্মচারী সমিতি অফিসে আলোচনায় বসে দু’গ্রুপ। এ সময় আব্দুল খালেকের সমর্থকরা রমিজ গ্রুপের ওপর হামলা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় জরুরি বিভাগের সামনে রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয় এবং দোকান বন্ধ হয়েছে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের সময় রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করেছে তারা।
ঢামেক হাসপাতালের অনেক সিনিয়ার সরকারি কর্মচারীরা বলেন, দু’দিন পরপরই হাসপাতালে কারণে অকারণে মারামারি ঘটে। করোনাকালে রোগীদের কীভাবে সেবা দেয়া যায় সেই চিন্তা না করে দু’দিন পর পর তারা মারামারিতে লিপ্ত হয়। এর আগেও দুই আনসার সদস্যকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। কর্তৃপক্ষকে তারা অনুরোধ জানান বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে দেখতে।
ঢাকা মেডিক্যাল পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) বাচ্চু মিয়া জানান, খবর পেয়ে শাহবাগ থানা ও কন্ট্রোলরুম থেকে পুলিশ এসে সংঘর্ষ থামায়।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান জানান, ঢামেক হাসপাতালে সংঘর্ষ ঘটেছে। বেশ কয়েকজনকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
-এএ