বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৬-২৭ সালের অনুমোদিত ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ​মুরাদনগরের ইউএনও সারওয়ার রাব্বী গুরুতর অসুস্থ: জমিয়তের দোয়ার আহ্বান জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান ছাত্র জমিয়তের স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্ট ও নতুন স্বাধীনতার ভোর গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম

মৃত সাগরে যেতে পারবে না ফিলিস্তিনিরা!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নানা বিরোধিতা ও সমালোচনার পরও পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিন অধ্যুষিত এলাকা দখল করতে যাচ্ছে ইসরায়েল।

এই পদক্ষেপ তীব্র প্রভাব ফেলবে ফিলিস্তিনিদের ওপর। দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই প্রভাব পড়ার পাশাপাশি পশ্চিম তীরের অনেক স্থানেই যেতে না পারার শঙ্কায় আছেন তারা। তেমনই একটি স্থান মৃত সাগর (ডেড সী)। ফিলিস্তিনিদের শঙ্কা, ইসয়ায়েল ভূমি দখল করে নিলে তারা আর মৃত সাগরের কাছে যেতে পারবেন না।

আগামী ১ জুলাই পশ্চিম তীর ও জর্ডান ভ্যালির বিভিন্ন স্থান নিজেদের আয়ত্তে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। জর্ডান ভ্যালির কাছেই মৃত সাগর অবস্থিত। ধারণা করে হচ্ছে, সেখানে সীমানা নির্মাণ করবে ইসরায়েল। যার কারণে ফিলিস্তিনিরা সেখানে যেতে পারবে না।

মৃত সাগর পশ্চিম তীরের অধিবাসীদের আকর্ষণীয় একটি পর্যটন কেন্দ্র। এর পানিতে কেউ ডুবে যায় না। সবাই ভেসে থাকে। সেইসঙ্গে তীরবর্তী কাদা ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। শত শত বছর ধরে এই স্থান ফিলিস্তিনের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ হয়ে আছে।

সেখানকার এক রিসোর্টের নিরাপত্তা কর্মী মুসা ফারাহ। তিনি বলেন, এই স্থান ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি আশির্বাদ। যদি ইসরায়েলিরা সব দখল করে নেয় তাহলে এখানে তাদের আর আসা হবে না। তাদের আসতে অনুমতি লাগবে।

আরব নিউজের বরাতে জানা যায়, মৃত সাগরের আশপাশে থাকা ইসরায়েলি মালিকানাধীন রিসোর্টগুলো ইতোমধ্যে দখল পরিকল্পনার সঙ্গে নিজেদের সকল সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে নিচ্ছে। তবে বিপদে পড়েছে ফিলিস্তিন মালিকানাধীন রিসোর্টগুলো।

সেখানকার বিয়ানকিনি ভিলেজ রিসোর্টের মালিক ফিলিস্তিন নাগরিক ডিনা দাগান। তিনি বলেন, আমার ব্যবসার খুব বেশি ক্ষতি হবে। ইসরায়েলি সরকারের জানা উচিৎ ছিলো যে, এখানে ঘুরতে আসা ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্ভর করেই আমার ব্যবসা চলে। দখল হয়ে গেলে পর্যটকরা আমার এখানে আসবে না।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ