রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ধান কাটার সুবিধার্থে হাওরাঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেয়ার আহ্বান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ধান কাটা শ্রমিকদের থাকার জন্য হাওর অঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো খুলে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন। রোববার (১৯ এপ্রিল) তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এ আহ্বান জানান।

করোনা ভাইরাসের কারণে এখন সারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোও খালি পড়ে আছে। তাই ধান কাটার জন্য এলাকার বাইরে থেকে আসা শ্রমিকদের থাকার জন্য হাওর এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো খুলে দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আকরাম হোসেন বলেন, বৃহত্তর সিলেট, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা জেলার হাওর অঞ্চলের জেলাসমূহে বোরো ধান কাটার সময় শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে আগাম বন্যার আভাস দিয়েছে। হাওর এলাকায় বছরে একবার মাত্র ফসল ফলে। এই ফসল আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হাওর এলাকার চাহিদা পূরণ করে এই উৎপাদিত ধান দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণ করে থাকে।

তিনি আরও বলেন, এবার করোনা ভাইরাস প্রভাবের ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খাদ্য সংকট হতে পারে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। সেইদিক দিয়ে হাওর অঞ্চলের ধান যথাসময়ে এবং দ্রুততার সঙ্গে হারভেস্ট করা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। এইক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সদস্যবৃন্দ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। ধান কাটার জন্য এলাকার বাইরে থেকে আসা শ্রমিকদের থাকার জন্য হাওর এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো খুলে দিতে হবে।

সচিব বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে শ্রমিক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। এই সংকটে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকবৃন্দ তাদের এলাকার তাদের প্রাক্তন ছাত্র যারা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে যাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখন বন্ধ এবং যারা লেখাপড়া না করে অলসভাবে সময় কাটায় তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করে এই চরম বিপদের সময় কৃষকদের পাশে দাড়ানো জন্য কাজ করতে পারেন।

-এএ