বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


সরেজমিন প্রতিবেদন: ইজতেমা ময়দান ঘুরে যা দেখলাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: তুরাগ নদীর তীরে চলছে আলমী শূরার তাবলীগি সাথীদের বিশ্ব ইজতেমা। এবারের ইজতেমায় দেশ বিদেশের মুসল্লির অংশগ্রহণ হয়েছে রেকর্ড পরিমাণ। গত ৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১২ টার আগেই মাঠ কানায় কানায় ভরে যায়। নির্ধারিত খিত্তায় দূর দূরান্ত থেকে আসা মুসল্লিরা জায়গা না পেয়ে তবুতে আশ্রয় নিতে শুরু করে।

দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যা নামার সাথে মুসল্লিদের আগমন আরও বেড়ে যায়। এক পর্যায়ে বিভিন্ন রাস্তায় খোলা আকাশের নিচে, মেইন রোডের পাশে, নদীর পাড়ে,কামার পাড়ায় ঝুপড়ির ভেতর, তুরাগ নদীতে থাকা ভাসমায় নৌকায়, এমনকি বিভিন্ন টয়লেটের ছাদেও মুসল্লিদেরকে অবস্থান করতে দেখা যায়৷

মুসল্লিদের সার্বিক অবস্থা জানাতে মাঠের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে সরেজমিন করেছেন আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডট কমের প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান ও আব্দুল্লাহ আল মবিন। ক্যামেরায় ছিলেন তানভির তানজিম।


কনকনে শীত উপেক্ষা করে খোলা আকাশের নিচে মেইন রোডে বসে আছেন আব্দুল আলী মিয়া। তিনি এসেছেন ময়মনসিংহ থেকে। শীতের রাতেরাস্তায় কাটাতে  কষ্ট হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা ২৫ জনের জামাত। মাঠে বৃহস্পতিবারে এসেও জায়গা পাইনি, তাই এখানে কোনরকম আশ্রয় নিয়েছি। আমাদের এখানে দ্বিগুণ কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু আনন্দও হচ্ছে৷ কষ্ট করার জন্যই এসেছি৷ আমাদের শারীরিক কষ্ট হলেও মনে কোন কষ্ট নেই, কারণ আল্লাহর জন্য এসেছি।’

শেয়ারপুর থেকে এসেছেন ৭৫ বছর বয়সি গুল মাহমুদ মিয়া৷ তিনিও রাস্তার পাশে ময়লার স্তপের কাছে আশ্রিত। তার কাছে ইজতেমার  সার্বিক অবস্থা জানতে চাইলে বলেন, ‘এবারের ইজততেমায় বেশি মানুষের আগমনে আগের চেয়ে জায়গার সংকট একটু বেশি দেখা দিয়েছে। যে কারণে, আমরা এখানে এভাবে বসে আছি। দু’দিন হলো আসলাম। এখনো ভাত খাইতে পারি নাই, পাক করার মতো ব্যবস্থা নেই আমদের।’

তুরাগ পারে ঝুপড়ির ভেতর তাঁবু ফেলেছেন হাজারো মুসল্লি। ভালুকা থেকে আসা তাদের একজন আমিনুল ইসলাম। তিনি ইজতেমায়  প্রথম এসেছেন। আমিনুল ইসলাম জানান, ‘আমাদের অন্যান্য ভাইয়েরা মাঠে বসে বসে রাত কাটাà¦