শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির

শুরু হচ্ছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, ফিরছে সাড়ে ৩ হাজার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সেনা নিপীড়নের মুখে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে নতুন প্রচেষ্টা শুরু করছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। এর প্রেক্ষিতে আগামী ২২ আগস্ট থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার জনকে ফিরিয়ে নেয়ার কথা জানিয়েছে মিয়ানমার।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) মিয়ানমার ও বাংলাদেশের একাধিক সরকারি কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা।

দু’দেশের কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, ২২ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাদের নামের তালিকা থেকে মিয়ানমার তিন হাজার ৫৪০ জনকে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য বাছাই করেছে। এ বাছাই করা রোহিঙ্গাদের প্রথম দলটিকে আগামী সপ্তাহে মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেয়া হবে।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মিয়ান্ট থো জানিয়েছেন, আগামী ২২ আগস্ট বাছাই করা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছেন তারা।

বাংলাদেশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ছোট পরিসরে নতুন করে প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে কাউকে জোর করে ফেরত পাঠানো হবে না। বাংলাদেশ একটি নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন ছাড়া আর কিছুই চায় না।

এর আগে জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়। একই বছরের ৬ জুন নেপিদোতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমার ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর মধ্যেও সমঝোতা চুক্তি হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞ’ শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে সেই সময় নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সাড়ে ৭ লাখ মানুষ।

এরও আগে ১৯৮২ সাল থেকে নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে দলে দলে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় আরও প্রায় ৩ লাখ রোহিঙ্গা। সব মিলিয়ে বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গার সংখ্যা ১০ লাখের বেশি।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ