শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

ভারতে ধর্মান্তর নিষিদ্ধ করতে বিল নিয়ে আসছে মোদি সরকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: এবার ধর্মান্তরকরণ বিরোধী আইন আনার পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতের মোদি সরকার। মূলত হিন্দুদের ধর্মান্তর রোখা ও ‘লাভ জেহাদ’-এর মতো ঘটনা আটকাতেই ওই বিল আনতে চাওয়া হচ্ছে। যা সঙ্ঘ পরিবারের দীর্ঘ দিনের দাবি।

সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে বিলটি আনার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সরকারের শীর্ষ সূত্র শনিবার বলেছে, এখনো জোর করে, প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরণ ঘটে চলেছে। আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় যার সংখ্যা খুব বেশি।ৎ

বিজেপির নেতাদের একাংশের দাবি, ভালোবাসার নামেও পরিকল্পিত ভাবে হিন্দু মেয়েদের ধর্ম পরিবর্তন করা হচ্ছে। সেটাকেই ‘লাভ জেহাদ’ বলছেন তারা। যদিও বিরোধীদের দাবি, এক জন প্রাপ্তবয়স্ক কোনো ধর্মে বিয়ে করবেন বা কোনো ধর্ম গ্রহণ করবেন, সেটা তার মৌলিক অধিকার।

তৃণমূলের এক নেতার কথায়, ‘‘বিলটি না আসা পর্যন্ত কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে বোঝাই যাচ্ছে নির্দিষ্ট একটি ভোটব্যাঙ্ককে বার্তা দেয়াই লক্ষ্য।’’

বিজেপির দাবি, স্বাধীনতার সময়ে দেশে ৯০% হিন্দু ছিল। এখন তা ৭২-৭৩%। যদিও জনগণনার নথি বলছে ১৯৫১ সালে এ দেশে হিন্দুর সংখ্যা ছিল ৮৪%। ২০১১ সালে তা কমে হয়েছে ৭৯.৮০%। পরিবার পরিকল্পনাই যার মূল কারণ বলে মনে করেন বিরোধীরা।

বিজেপির অবশ্য বক্তব্য, ধর্ম পরিবর্তনও সমানভাবে দায়ী। মোদি সরকারের প্রথম পর্বে তাই ‘ঘর ওয়াপসি’ প্রকল্প হাতে নিয়েছিল গেরুয়া শিবির।

বিরোধীরা অভিযোগ করেছিলেন, যখন কোনো হিন্দু অন্য ধর্ম গ্রহণ করছেন, তাকে বলা হচ্ছে ধর্মান্তরণ। কিন্তু সঙ্ঘ পরিবার যখন কাউকে হিন্দুধর্মের ছাতায় নিয়ে আসছে, তখন তা ঘর ওয়াপসি!

এবার ধর্মান্তরণ পাকাপাকি রুখতেই বিল আনার কথা ভাবনা। অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতির কর্তা স্বামী জিতেন্দ্রানন্দ সরস্বতী বলেন, ‘‘আমরা চাই সরকার দ্রুত আইন করুক। হিন্দু সমাজের স্বার্থেই তা প্রয়োজন।’’

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ