শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

'ওরা কেউ জঙ্গি নন, গণতন্ত্রের স্বার্থেই ওদের মুক্তি দেয়া উচিত'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলুপ্ত করার পর থেকে তোলপাড় গোটা ভারতের রাজনীতি। রাজ্যসভায় তৃণমূল সাংসদরা ওয়াকআউট করলেও দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও মন্তব্য করেননি।

অবশেষে আজ মঙ্গলবার তিনি মুখ খুলেন। ৩৭০ ধারা বিলুপ্তি নিয়ে কোন মন্তব্য না করলেও প্রশ্ন তুললেন পদ্ধতি নিয়ে। একই সঙ্গে কাশ্মীরের নেতা-নেত্রীদের গ্রেফতার হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ওরা কেউ জঙ্গি নন, গণতন্ত্রের স্বার্থেই ওদের মুক্তি দেয়া উচিত’।

তিনি আরও বলেন, গতকাল থেকে যা ঘটছে, ভারতের বাকি নাগরিকদের মতো আমিও নজর রাখছিলাম। আমি বিশ্বাস করি কাশ্মীরের বাসিন্দারাও আমাদের ভাইবোন। আমি এ সিদ্ধান্তের বিষয়বস্তুর কথা বলছি না। কিন্তু আমি পদ্ধতির সঙ্গে আমি একমত নই। আমাদের দল কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মমতা বলেন, আমরা এ বিলকে সমর্থন করতে পারি না। আমরা ভোট দেইনি । কারণ সাংবিধানিক, আইনিগত এবং পদ্ধতিগতভাবে এটা প্রশংসনীয় নয়। এটা গণতান্ত্রিক ভাবেও করা হয়নি।

উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার ৩৭০ ধারা বিলুপ্ত করে জম্মু-কাশ্মীরের ‘বিশেষ মর্যাদা’ তুলে নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যসভায় অমিত শাহের এ প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেন তৃণমূল সাংসদরা। অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, শুখেন্দুশেখররায়রা। ফলে বিলের বিপক্ষেও ভোট দেননি দলের সাংসদরা।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ