সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ।। ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ ।। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
জাপার কার্যক্রম স্থগিতে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে বলল এনসিপি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ, প্রো-ভিসি ও প্রক্টর সহ আহত দুই শতাধিক ধর্ম উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ  নির্বাচন ঘিরে অশুভ শক্তির অপতৎপরতা ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে ‘চবির ঘটনা নীলনকশার অংশ কি না খতিয়ে দেখতে হবে’ ১৮ সেপ্টেম্বর উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন সফল করার আহ্বান জমিয়তের ‘নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সারা দেশে কালেক্টিভ অ্যাটাকের পরিকল্পনা করছে’ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে যমুনায় বিএনপির প্রতিনিধি দল আলিয়া মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ডিসেম্বরে আমি রাজনীতি থেকে বিরত হব না: ফজলুর রহমান

পরিচয়পত্র পেলেন আড়াই লাখ রোহিঙ্গা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে ২ লাখ ৫০ হাজার জনকে নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান করেছে জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)।

শুক্রবার (১৮ মে) সংস্থাটির মুখপাত্র আদ্রে মেহাসেক জেনেভায় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

ইউএনএইচসিআর-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০১৮ সালের জুন মাসে পরিচয়পত্র তৈরির কাজ শুরু হয়। এই পরিচয়পত্র রোহিঙ্গা শরনার্থীদের জন্য একটি ঢাল হিসেবে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে তাদের মিয়ানমারে ফিরে যাবার অধিকার সুরক্ষার প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এ পরিচয়পত্র শুধু তাদেরকে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার প্রমাণপত্রই নয় বরং তাদের মানব পাচারের হাত রক্ষা করবে।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইউএনএইচসিআর এর মুখপাত্র আদ্রে মেহাসেক বলেন, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা প্রায় পৌনে তিন লাখ রোহিঙ্গা শরনার্থীকে যৌথভাবে পরিচয়পত্র দিচ্ছে বাংলাদেশ ও ইউএনএইচসিআর কর্তৃপক্ষ।

পর্যায়ক্রমে ১২ বছরের বেশি বয়সী সব রোহিঙ্গাকেই এই পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে। পরিচয়পত্রে সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেমন রোহিঙ্গা নাগরিকের নাম, তার পরিবারের সূত্র, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, আইরিশ স্ক্যান ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তিনি বলেন, ২ লাখ ৭০ হাজার ৩৪৮ জন শরনার্থীর প্রায় ৬০ হাজার পরিবার ইতোমধ্যে নিবন্ধিত হয়েছে এবং সকল শরনার্থীকে পরিচয়পত্র দিতে প্রতিদিন প্রায় ৪০০০ রোহিঙ্গার নিবন্ধন সম্পন্ন হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সমঝোতা হলেও নিরাপত্তার শঙ্কায় একজন রোহিঙ্গাও ফিরে যায়নি।

এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ