শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল গাইনী ডাক্তার শূন্য

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নেত্রকোণা সংবাদদাতা>

নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে গাইনী ডাক্তার নেই বললেই চলে। ফলে প্রসূতি নারীদের জীবন সংকটাপন্ন। সন্তান সম্ভবা নারীগণ উপজেলা সদরে উত্তম সেবা না পাওয়ায় জেলার একমাত্র আধুনিক সদর হাসপাতালের দ্বারস্থ হন। কিন্ত দীর্ঘদিন ধরে সদর হাসপাতালে গাইনী ডাক্তারের সংকট রয়েছে।

গরীব, অস্বচ্ছল, মধ্যবিত্ত শ্রেণির গর্ভবতী নারীরা সাধারণত হাসপাতালের শরনাপন্ন হয়ে থাকেন। বিগত কিছুদিন যাবত সদর হাসপাতালে গাইনী ডাক্তার না থাকায় প্রসূতিদেরকে উচ্চমূল্যের সেবা নিতে হচ্ছে প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিকে। ক্লিনিকগুলো অহেতুক পরীক্ষা নিরীক্ষার নামে হাতিয়ে বিভিন্ন অংকের অর্থ।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের গাইনী ডাক্তার রঞ্জন কুমার ও ডাক্তার জীবন কৃষ্ণ বদলী হয়ে অন্যত্র চলে গিয়েছেন। হাসপাতালের নারী চিকিৎসক ডাঃ আফরিন সুলতানা পদোন্নতি পেয়ে অন্যত্র বদলী হয়েছেন। গাইনী ডাক্তার নূপুর আছেন ছুটিতে। একমাত্র ডাক্তার কল্যাণী উপস্থিত হচ্ছেন হাসপাতালে। তাও আবার বাইরে ক্লিনিকে গিয়ে সময় দিতে হয়।

হাসপাতালের প্রায় সকল ডাক্তারই বাইরের ক্লিনিকসমূহে রোগী দেখেন। হাসপাতালের প্রশাসনিক অবস্থা খুবই দূর্বল বিধায় এ সুযোগে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ কোনো রকমে স্বাক্ষর করেই চলে যান বাইরের ক্লিনিক সমূহে। রোগী ভর্তি হলেও চিকিৎসা নিতে পারছেন না।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনা সদর উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের গর্ভবতী লিমা আক্তার সদর হাসপাতালে ভর্তি হন ডেলিভারী রোগী হিসেবে। হাসপাতালের ভিতরে কোনো রকম চেকআপের ব্যবস্থা নেই বিধায় বাইরে ইবনেসিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে বাধ্য হন।

সদর হাসপাতালে ডাক্তারদের অনুপস্থিতির কারণে আশ্রয় নেন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র মোক্তারপাড়ায়। সেখানেও ডাক্তারদের তালবাহানা। ২৪ ফেব্রুয়ারি করা আল্ট্রাসনোগ্রামের রিপোর্ট বাদ দিয়ে তারা ২৫ ফেব্রুয়ারি পুনরায় আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে পাঠান তাদের অনুগত একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ