শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

৪ বছর স্কুলে অনুপস্থিত থেকেও বেতন তোলেন নিয়মিত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন তোলার অভিযোগ উঠেছে দিনাজপুর চিরিরবন্দরের রাজাপুর এসসি দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক প্রদীপ কুমার রায়ের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, সহকারী শিক্ষক হয়েও চার বছর ধরে বিদ্যালয়ের অনুপস্থিত থেকেই নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলছেন স্কুল শিক্ষক প্রদীপ কুমার রায়।

আজ রোববার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে সরেজমিনে উপজেলার রাজাপুর এসসি দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয় গিয়ে সহকারী শিক্ষক প্রদীপ কুমার রায়কে পাওয়া যায়নি। শিক্ষক হাজিরা খাতায়ও তার অনুপস্থিতির চিত্র পাওয়া গেছে।

সহকারী শিক্ষক প্রদীপ কুমার রায় চিরিবন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক ও তার স্ত্রী তরুবালা রানী রায় চিরিরবন্দর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং উপজেলা যুব মহিলা আওয়ামী লীগের সম্পাদিকা।

প্রধান শিক্ষক আরোও জানান, ধর্ম শিক্ষক প্রদীপ কুমার রায় স্কুলে অনুস্পস্থিত থেকেও কিছুদিন পরপর এসে এক সঙ্গে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। এবং তিনি তার বিষয়ে ক্লাস নিতে তার বদলি হিসাবে ৫ হাজার টাকা বেতন দিয়ে সঞ্জয় কুমার নামে এক ছেলেকে রেখেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সহকারী শিক্ষক বলেন, প্রদীপ কুমার রায় স্কুল তো ফাঁকি দেয়ই, সেটা বলতে গেলে হুমকি আসে। তাই আমরা আর কিছু বলতে পারি না।

ওই স্কুলের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, প্রদীপ স্যারকে আমরাতো স্কুলে দেখিনা। তার বদলে ধর্ম ক্লাস আমাদের সঞ্জয় স্যার নেন। তবে প্রদীপ স্যার কিছুদিন পরপর স্কুলে আসে। কিন্তু ঘন্টা খানেক থেকে চলে যায়।

এবিষয়ে অভিযুক্ত প্রদীপ কুমার রায় বলেন, ‘আর কিছুদিন পরে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। এতদিন চলে গেলো কোনো অভিযোগ নেই। এ সময় কেন এমন হলো বুঝতেছিনা। নির্বাচনের আগে আমার সাথে কেউ চক্রান্ত করছে।’

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মন্জুর হক বলেন, স্কুলের শিক্ষকের ছুটির বিষয়টা প্রধান শিক্ষক দেখে, আমরা তো দেখি না। আমরা শুধু মনিটরিং করি। তবে ওই প্রধান শিক্ষককে আমি ডাকছি তার সাথে বসে সব আলোচনা করে বিষয়টা দেখবো।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ