শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

ওয়ারী থেকে শক্তিশালী হ্যান্ডগ্রেনেড ও সরঞ্জাম উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রাজধানী ঢাকার ওয়ারী থেকে শক্তিশালী হ্যান্ডগ্রেনেড ও হ্যান্ডগ্রেনেড তৈরির সরঞ্জাম তৈরির উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধারকৃত বিস্ফোরকগুলো কোন সাধারণমানের সন্ত্রাসী বা পেশাদার বোমাবাজদের তৈরি নয় বলে জানিয়েছেন বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসী বা এ ধরণের ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিস্ফোরক বিষয়ে প্রশিক্ষিতরাই গ্রেনেডগুলো তৈরি করেছিল।

যদিও ঘটনার সঙ্গে জড়িত কেউ গ্রেফতার হয়নি। গ্রেনেডগুলো কারা কি উদ্দেশ্যে মজুদ করেছিল তাও স্পষ্ট নয়।

বিজয় দিবসের আগের দিন হ্যান্ডগ্রেনেড ও হ্যান্ডগ্রেনেড তৈরির বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় বেশ আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্বাধীনতা বিরোধী বা কোন জঙ্গী গোষ্ঠী বিজয় দিবস বা নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা চালাতে বিস্ফোরকগুলো মজুদ করেছিল ধারণা করছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

আজ শনিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর ওয়ারী থানাধীন গোয়ালঘাট লেনের ১২/১ দোকানটি ঘিরে ফেলে পুলিশ। ডিএমপির ওয়ারি বিভাগের উপকমিশনার ফরিদ উদ্দিন বলেন, অভিযান চালাতে গিয়ে বিস্ফোরক থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।

এরপর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে জানানো হয়। তারা ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে বোমাগুলো উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থল থেকে দুইটি বোমা উদ্ধার হয়। এছাড়া বোমা তৈরির বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। সেগুলো পরে বোম ডিসপোজাল টিম নিস্ক্রিয় করে ফেলে।

এ বোমাগুলো নির্বাচন বা বিজয় দিবসে ব্যবহার করার কোন পরিকল্পনা ছিল কিনা সে সর্ম্পকে সুষ্পষ্ট কোন তথ্য মেলেনি। জানার চেষ্টা চলছে।

নির্বাচনে ইভিএম পরিচালনায় তিন সহস্রাধিক সেনাসদস্য