শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ভারত থেকে কেনা ২০০ রেলকোচের প্রথম ১৮টি দেশে পৌঁছেছে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি

বাবা ছেলে দুইজনের মনোনয়ন পত্রই বাতিল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নড়াইল-২ আসনে নির্বাচনের জন্য বিএনপি থেকে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন সাবেক এমপি আল মারকাজুল ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মুফতি শহিদুল ইসলাম। কথা ছিল সব ঠিক থাকলে তিনি এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাশরাফি বিন মর্তোজার সঙ্গে লড়বে।

কিন্তু ২ ডিসেম্বর মনোনয়ন যাচাই বাছাইয়ের দিনে তার মনোয়ন বাতিল করে দিয়েছে ইসি।

এদিকে নির্বাচনের জন্য একই আসনে তার ছেলে মুফতি তালহা ইসলামও মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন। ইসি তার মনোনয়ন পত্রও বাতিল করে দিয়েছি বলে জানা গেছে।

মুফতি তালহা ইসলাম এ আসনে সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন।

জানা যায়, মুফতি শহিদুল ইসলামের দুদকের একটি মামলায় ১০ বছরের সাজা, বিদেশ থাকা এবং স্বাক্ষর সঠিক না হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি তালহা ইসলামের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে নিয়মানুযায়ী এক শতাংশ ভোটারদের স্বাক্ষরের কাগজপত্র সঠিক ভাবে জমা না দেয়ায়।

নিয়ম অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে তার আসনের ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়।

মুফতি শহীদুল ইসলাম ২০০১ সালের নির্বাচনে নড়াইল-২ আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৪ হাজার ২৩৩ ভোটে হেরে যান। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসনটি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে মুফতি শহিদুল ইসলাম সাংসদ নির্বাচিত হন।

মাশরাফির বিরুদ্ধে লড়বেন মুফতি শহিদুল ইসলাম

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ