মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ওমরাহ যাত্রীদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন তুরস্কের ইবন হালদুন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আজহারী কঠোর পর্দা মেনেও সেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় সৌদি অধ্যাপক নাজলা রাদ্দাদি আল-হাইআতুল উলয়ায় চাকরি, আবেদন ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ৯৫ শতাংশ মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের পাঁয়তারা! ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী

ডাকসু নির্বাচন: ইসলামভিত্তিক ছাত্র সংগঠনগুলো বৈষম্যের শিকার কেন?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

এম ওমর ফারুক আজাদ
প্রতিবেদক

সাধারণ ছাত্রদের অধিকার আদায়, বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান করা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সুষ্টু পরিচালনায় সহযোগিতা করাসহ নানাবিধ প্রয়োজনীয়তাকে সামনে রেখে শিক্ষাবর্ষ ১৯২২-২৩ এ প্রতিষ্টালাভ করে অরাজনৈতিক সংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (Dhaka University Central Students Union) বা ডাকসু।

ডাকসুকে বলা হয় দ্বীতিয় সংসদ। এই সংসদ থেকে উঠে এসেছে অনেক জাতীয় নেতৃত্ব। ব্রিটিশ শাসনতান্ত্রিক যুগে ও পাকিস্তান আমলে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়, ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণ অভ্যুত্থান ও ৭১ এর স্বাধিনতা আন্দোলনে ডাকসু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

মাদরাসা সভ্য পৃথিবীর অহঙ্কার

প্রতিষ্ঠার পর প্রনয়ণ করা হয় গঠনন্ত্র।এতে উল্লেখ ছিলো উপাচার্যকে চেয়ারম্যান করে বাকি ১৪ পদে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত করা হবে ডাকসু প্রতিনিধি।

ঢাবি প্রশাসন প্রতিবছর নতুন করে নির্বাচন আয়োজন করবে। যদি কোন কারণে নির্দিষ্ট মেয়াদে নির্বাচন দিতে ব্যার্থ হয় তাহলে সর্বোচ্চ তিন মাস পুর্বের কমিটির কার্যকারিতা বৈধ বলে বিবেচিত হবে।

গঠনতন্ত্রে প্রতি বছর নির্বাচন আয়োজনের বাধ্য বাধ্যকতা থাকলেও প্রতিষ্ঠার পর এই পর্যন্ত নির্বাচন হয়েছে মাত্র ৩৬ বার। যার মধ্যে স্বাধীনতার পর মাত্র ৪৬ বছরে মাত্র ৭ বার ডাকসু নির্বাচন হয়েছে।

সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্টিত হয় ১৯৯০ সালে যাতে ভিপি ও জিএস নির্বাচিত হন যথাক্রমে আমানউল্লাহ আমান ও খাইরুল কবীর খোকন। এরপর ছাত্রলীগ আর ছাত্রদলের বিরোধের কারণে নানা সময় নির্বাচনের ঘোষণা দেয়া হলেও তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়ে উঠেনি।

সম্পূর্ণ ফিতে নিন অ্যাকাউন্টিং ও ইনভেস্টরি সফটওয়ার

দীর্ঘ সময় ডাকসু নির্বাচন বন্ধ থাকায় ক্যাম্পাসে রাজনীতির সুষ্টু পরিবেশ হারিয়ে যায়। সেইসাথে ঢাবি প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকান্ডে সহযোগিতা কিংবা প্রতিবাদের কোন শক্তিশালী সংগঠনের অভাব প্রস্পুটিত হয়।

এমতাবস্থায় ২০১২ সালে ২৫জন শিক্ষার্থী নির্বাচনের দাবিতে উচ্চ আদালতে রিট করেন। রিটের প্রেক্ষিতে আদালত রুল দিয়ে জানতে চেয়েছিলেন, "ডাকসু নির্বাচন করার ব্যার্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবেনা।"

রুলের নিষ্পত্তি করে চলতি