শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

সৌদি পত্রিকায় সুচিকে সমর্থন: এ খবরের সত্যতা কতটুকু?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মাদ শোয়াইব

‘সৌদি পত্রিকায় সুচিকে সমর্থন’ এরকম শিরোনামে একটি নিউজ ঘুরে ফিরছে অনেক অনলাইন পত্রিকায়। শিরোনামটা অপ্রত্যাশিতই। যে কারণেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিউজটা শেয়ার হচ্ছে প্রচুর। তবে বাস্তাবে বিষয়টা কি এমন?

প্রথমে পূর্বপশ্চিম বিডি নামের একটা অনলাইনে নিউজটা দেখার পর সন্দেহ হলো।

[তাদের নিউজটা এমন- সৌদি আরবের দৈনিক পত্রিকা আল-শার্ক, আল-আওসাত রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর মিয়ানমারে যে গণহত্যা, নির্বিচারে ধর্ষণ ও বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ চলছে, তার জন্যে নিন্দা না জানিয়ে বরং দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সাং সুচিকে সমর্থন করেছেন। এ দুটি পত্রিকার নিবন্ধে বলা হয়েছে, সুচি সরকার যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। সুচি বলেছেন, তার সরকার রাখাইনে সবাইকে রক্ষায় সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন।

সৌদি আরবের এ দুটি পত্রিকায় রোহিঙ্গা মুসলমানদের সন্ত্রাসী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ দুটি পত্রিকা লন্ডন, বৈরুত ও রিয়াদ থেকে প্রকাশিত হয়। সুচিকে সমর্থন জানিয়ে পত্রিকা দুটি বলে মিয়ানমারের এই নেত্রী তার দেশে সন্ত্রাস দমনে যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। মিয়ানমার সরকারের প্রতিও সমর্থন জানায় পত্রিকা দুটি।

পত্রিকা দুটির নিবন্ধে আরো বলা হয়, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমরা যে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করছে তারা সন্ত্রাসী।]

প্রথমেই গুগলে সার্চ দিয়ে মূল পত্রিকাটা বের করার চেষ্টা করলাম। এখানেই সাংবাদিকের মূর্খতার প্রমাণ পাওয়া গেল। আসলে পত্রিকা দুটি নয় একটিই। কিন্তু অনুবাদ করতে গিয়ে সাংবাদিক মনে করেছেন দুটি পত্রিকা।

পত্রিকাটির নাম ‘আশ শারকুল আওসাত’। সাংবাদিক দুটি শব্দকে দুটি পত্রিকার নাম বলে ধরে নিয়েছেন।

যাইহোক পত্রিকার ইন্টারন্যশনার বিভাগে গিয়ে খোঁজে বের করলাম নিউজটা। বাংলাদেশি মিডিয়ায় সাধারণত আরবি অনুবাদের লোক নেই। তাই সন্দেহ হলো নিউজটা ইংরেজি থেকে করা কিনা। সেটা নিশ্চিত হতে পূর্ব পশ্চিমবিডিকে ফোন দিলে তারা ওই বিষয়টির সদুত্তর দিতে পারল না। বলল অনেক পত্রিকা এই নিউজ করেছে আমরা সেটা দেখে করেছি। বলে লাইন কেটে দিল।

এবার বাংলা শিরোনামটা দিয়ে গুগলে সার্চ দেয়া হলে অনেকগুলো পত্রিকায় নিউজটা পাওয়া গেল। তবে এগুলোর কোনোটাই মূলধারা মিডিয়া নয়। কিন্তু অনেক্ষণ সার্চিংয়ের পর আমাদেরসময়.কম এর লিংক এল। বোঝার বাকি থাকল না নিউজটা তাদেরই করা।