শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

মোদি-সুচি বৈঠক; মিয়ানমারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ভারতের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাখাইনে রোহিঙ্গা গণহত্যার মধ্যেই মিয়ানমার সফরে গেলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ দেশটির রাজধানীতে এক বৈঠকে রাখাইনে সহিংসতার পরিস্থিতিতে দেশটির পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে ভারত।

নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, রাখাইনের সংঘাত নিয়ে মিয়ানমারের মতই উদ্বিগ্ন ভারত।

বুধবার মিয়ানমারের নেত্রী ও রাষ্ট্রীয় পরামর্শক অংসান সুচির সঙ্গে বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মোদি।

তিনি বলেন, ভারত মিয়ানমারের পাশে রয়েছে। রাখাইন রাজ্যে সেনা এবং সাধারণ মানুষের জীবনহানি নিয়ে ভারত উদ্বিগ্ন।

সংবাদ সম্মেলনে জাতি হিসেবে মিয়ানমারের সংহতি রক্ষা ও উদ্বেগের প্রতি সব পক্ষকে সম্মান জানানো উচিত বলেও মন্তব্য করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

তবে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর গণহত্যার বিষয়ে কোনো কথা বলেননি তিনি।

মোদি মঙ্গলবার বিকেলে দেশটির রাজধানী নেপিদোতে পৌঁছান। এরপর দেশটির প্রেসিডেন্ট থিন কিয়াওয়ের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। বুধবার দেশটির স্টেট কাউন্সিলর, নোবেলজয়ী নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে বৈঠক করেন মোদি।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে অংসান সুচি জানান, সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে ভারতের সমর্থন পেয়েছে মিয়ানমার।

তিনি বলেন, ভারত ও মিয়ানমার নিশ্চিত করছে যে, তাদের দেশে সন্ত্রাসের শিকড় গাড়তে দেয়া হবে না। প্রতিবেশী দেশে নাশকতা চালানোর জন্য সন্ত্রাসবাদীদের লালনও করবে না কোনো দেশ।

উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট ভোররাত থেকে রাখাইনে সীমান্তরক্ষী পুলিশের সঙ্গে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যদের সংঘাত শুরু হয়।

চলমান এ সহিংসতায় এ পর্যন্ত অন্তত ৪০০ জন নিহত হয়েছে,যাদের বেশিরভাগই সাধারণ নিরস্ত্র রোহিঙ্গা।অন্যদিকে প্রাণ বাঁচাতে গত ১১ দিনে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রায় এক লাখ ২৫ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছেন, তাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ