বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


বাংলাদেশের উদ্দেশে এক রোহিঙ্গা আলেমার চিঠি!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

টুইটারে বাঙ্গালীর উদ্দেশে রোহিঙ্গা বোনের চিঠি। ইংরেজি ভাষার চিঠিটা ইতোমধ্যেই অনলাইনে ভাইরাল হয়েছে। হাজারও মানুষ চিঠিটা শেয়ার করছেন। ফেসবুক থেকে চিঠিটা আওয়ার ইসলামের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

আমি একজন রোহিঙ্গা মেয়ে। তিন বছর আগেই আল্লাহর রহমতে আমি ইফতা পাশ করি। এরপর খুব ছোট্ট একটা সংসার গড়ি। বছর যেতে না যেতেই আমাদের ঘর আলোকিত করে কোল জুড়ে আসলো এক কন্যা সন্তান।

হঠাৎ একদিন সেনাবাহিনীর কিছু লোক আমাদের ঘরে প্রবেশ করে। ওদের দেখে আমি বোরকা পড়ে মেয়েকে বুকে জড়িয়ে নিলাম। ওরা এসেই আমার হাত ধরে টানাটানি করতে লাগলো, যার ফলে হাত ফুসকে আমার মেয়ে নিচে পড়ে যায়। ওরা যখন আমাকে ভোগ করার জন্য বোরকায় হাত দিল, তখন সাথে সাথে আমার মাথা ঘুরে গেলো। আল্লাহকে বললাম, "ইয়া আল্লাহ! আমি তোমার সামনে যিনাকারী হয়ে উঠতে চাই না, তুমি আমাকে ঈমানী শক্তি দান করো।" সাথে সাথে মনে হলো, আমি যেন আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে দেরি করেছি; কিন্তু তিনি আমাকে সাহায্য করতে দেরি করেননি। সামনেই তাকিয়ে দেখি ছোট্ট একটা বটি-দা। অনেক দিন যাবৎ আমরা ব্যবহার করি না, কোন ধার নাই। সেটা হাতে তুলে নিয়ে ৬/৭ জন সেনাকে কুপিয়ে হত্যা করলাম।

তারপর আরো কিছু সেনা ঘরে প্রবেশ করে। এবার চারজন সেনা আমাকে ধরে রেখেছে আর দু'জন সেনা আমার ছোট্ট শিশুটির লজ্জাস্থানে অস্ত্র ঢুকিয়ে দেয়। মেয়েটি চোখের সামনে ছটফট করে মারা যায়। ইতিমধ্যে আমার স্বামী ঘরে আসলে, কিছু সেনা তাকে মারতে থাকে। আর আমাকে বললো, "তোর সাথে আমরা সবাই এখন খেলা করবো আর তোর স্বামী তা দেখবে; তারপর তোদের হত্যা করবো।"

আমার স্বামী সন্তান কারোর জন্য মায়া হলো না। তখন আমি আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলাম। ওদের কারো কাছে একটুও মাথা নত করিনি। হঠাৎ চোখ পড়লো এক-বস্তা ছাইয়ের উপর। জানিনা সেটা ওখানে কী করে এলো! এবার দৌড়ে গিয়ে ছাইয়ের বস্তার মুখ খুলে ওদের চোখের সামনে ছাই উড়াতে লাগলাম।

আলহামদুলিল্লাহ্! আল্লাহ আমাকে তার রহমত দ্বারা ঘিরে নিলেন। প্রতিটি সেনা চোখ বন্ধ করে আমাকে গালাগালি করছিল। আমি কোন মতে একটু আড়ালে চলে গেলাম। ওরা এবার চোখ কচলাতে কচলাতে আমার স্বামীর কাছে গিয়ে তাকে জবাই করলো আর বললো, "যার বউয়ের এতো শক্তি, তার কলিজাটা দেখবো।"

ওরা সত্যি সত্যি আমার স্বামীর কলিজাটা ছিড়ে, মুখে নিয়ে কিছুক্ষণ চাবাতে থাকে। আমি আর সহ্য করতে না পেরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরলো। ঠিক কতক্ষণ পর জ্ঞান ফিরেছিলো তা জানিনা। উঠে গিয়ে ওযু করে আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ে নামাজ পড়লাম। ছোট্ট একটা কাপড় দিয়ে স্বামী আর সন্তানের লাশ ঢেকে রেখে অজানার উদ্দেশে হাঁটতে শুরু করলাম। একটানা ৭ দিন পানি খেয়ে থাকার পর যখন à¦