শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

নাফ নদী থেকে আরো ১৭ লাশ উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : নাফ নদী থেকে আরো ১৭ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, তিনজন নারী ও দুটি শিশু রয়েছে।মিয়ানমার থেকে  নৌকায় করে বাংলাদেশে আসার সময় নাফ নদীতে তারা ডুবে যায।

শুক্রবার সকালে উপজেলার খাড়াংকালি ও শাহপরীর দ্বীপ থেকে উদ্ধার হওয়া ওই মৃতদেহগুলো মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গাদের বলে সমকালকে জানিয়েছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, মৃতদেহের শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতেরর চিহ্ন রয়েছে। উদ্ধারের পর মৃতদেহগুলো স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ওইসব এলাকায় রাখা হয়েছে।

টেকনাফ থানার ওসি মো. মাইনউদ্দিন খান জানান, এ নিয়ে ৩ দিনে ৩৯ জন রোহিঙ্গার মৃতদেহ উদ্ধার হলো।

স্থানীয় ব্যবসায়ী নুর অালম বলেন, এগুলো রাখাইন রাজ্যে সহিসংসতার ঘটনায় হত্যার শিকার হওয়া ব্যক্তিদেরই মৃতদেহ। সেখানে হত্যার পর তাদের নাফ নদে ফেলে দেওয়া হচ্ছে।

গত সপ্তাহে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ৩০টি পুলিশ ফাঁড়ি ও একটি সেনাঘাঁটিতে সমন্বিত হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে অন্তত ৮৯ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ১২ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং বাকি ৫৯ জন 'রোহিঙ্গা মুসলিম বিদ্রোহী' বলে দেশটির সরকার ও সেনাবাহিনী নিশ্চিত করে।

এর আগে গত বছরের ৯ অক্টোবর মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকায় দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য মারা যান। অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটের ঘটনা ঘটে।

জাতিগত দ্বন্দ্বের জেরে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে দেশটির উত্তর-পূর্ব রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত মুসলিম রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতা চালাচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী। জাতিগতভাবে নির্মূল করতে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের গ্রামে আগুন দিয়ে বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়াসহ গণহত্যা ও গণধর্ষণ চালায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

আরএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ