মুহাম্মদ যাইনুল আবেদীন। একজন আলেম লেখক ও অনুবাদক। বিভিন্ন বিষয়ের ওপর এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে তার। ১৯৬৭ সালের ২০ নভেম্বর মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় জন্ম গ্রহণ করেন তিনি। তার পিতার নাম সিদ্দিকুর রহমান সরকার এবং মাতার নাম পেয়ারা বেগম।
১৯৯১-৯২ সালে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ ক্লাস দাওরোয়ে হাদিস সম্পন্ন করেন এবং ১৯৯৩ সালে আরবি সাহিত্যে বিষয়ে ডিগ্রী অর্জন করেন তিনি। লেখালেখি ও বাংলা ভাষায় ইসলাম চর্চার নানা গুরুত্বপূর্ণ দিক ও বিষয় নিয়ে প্রিয়.কমের সাথে কথা বলেন ইসলামী অঙ্গনের সুপ্রসিদ্ধ এই লেখক। পাঠকের কল্যাণে প্রিয়.কমে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারটি আমরা পুনপ্রকাশ করছি।
প্রশ্ন : আপনি কেন লেখালেখি করেন?
যাইনুল আবেদীন : বিষয়টি কুরআনে আল্লাহপাক স্পষ্ট করে বলেছেন যে, প্রতিটি জনপদের কিছু মানুষ দ্বীনের গভীর জ্ঞান অর্জনের জন্য তাদের নিজেদের অঞ্চল ছেড়ে বাহিরে যাবে, এরপর তারা যে জ্ঞান অর্জন করবে তার মাধ্যমে তারা স্বজাতিকে সর্তক করবে। মূল কথা হচ্ছে- তারা যে শিক্ষাটা গ্রহণ করেছে বা করবে সেই শিক্ষাটাকে তারা জাতির কাছে পৌঁছে দেবে। এটা প্রত্যেক আলেমেরই কর্তব্য। এই কর্তব্যের কারণেই আমাদের লেখা, বলা, ওয়াজ করা, তাবলিগ করা। আমি যা জানি তা অন্যের কাছে পৌঁছানোর মূল্যবোধ থেকে লিখি। প্রত্যেক লেখকের উচিত জ্ঞানকে অন্যের কাছে পৌঁছানোর মূল্যবোধ থেকে লেখালেখি করা।
প্রশ্ন : দাওয়াত পৌঁছানোর মাধ্যেমে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিতর্ন সাধিত হয়েছে। এই পরিবতর্নকে আপনি কিভাবে দেখেন?
যাইনুল আবেদীন : যদি কোনো মাধ্যম ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক না হয় তাহলে দাওয়াত পৌঁছানোর সব মাধ্যম ব্যবহার করে ইসলামের বাণী মানুষের কাছে পৌঁছাতে কোনো বাধা বা নিষেধ নেই।
প্রশ্ন : এখন পযর্ন্ত কতগুলো বিষয়ের উপর আপনার বই প্রকাশ হয়েছে? এবং আপনার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা কত?
যাইনুল আবেদীন : সুনির্ষ্টভাবে বিষয়টা বলা একটু কঠিন। তবে স্বাভাবিকভাবে আমি ইসলামের মূল দাওয়া যেটা সেটা নিয়েই লেখি। এই মূল শিক্ষা বা মূল চেতনার মাঝে যেগুলো মানুষকে স্পর্শ করে, সেই বিষয়গুলো নিয়ে লেখালেখি করি। যার ফলে আমার লেখায় ফিকাহ, ইতিহাস, দর্শনসহ দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো উঠে এসেছে। আমি নিদির্ষ্ট কোন বিষয়কে চিহ্নিত করে লà