আবিদ আনজুম: জমিয়তুল উলামা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের ইমাম মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের একটি ছবি নিয়ে ফেসবুকে তোলপাড় চলছে। সম্প্রতি প্রকাশ পাওয়া ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে একজন নারীর সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে ছবি তোলার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন।
কে কারা এই ছবি ছড়াল সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ছবিটি নিয়ে দুই ধরনের মন্তব্যই পাওয়া যাচ্ছে। ফেসবুকে কেউ কেউ লিখছেন ছবিটি এডিট করা এবং এ ধরনের ছবি তার থেকে হওয়া অসম্ভব। তবে বিপরীত মতও দিচ্ছেন অনেকে। তারা বলছেন যে নিখুতভাবে ছবিটি তোলা তাতে এডিট ফটো এমনটি বলার উপায় নেই।
কেউ কেউ একধাপ এগিয়ে লিখছেন, তিনি যে ধরনের আলেম তার পক্ষে এমনটি অসম্ভব নয়।
তবে ছবিটি সম্পাদিত না বাস্তব সেটি নিশ্চিত না হয়ে এমন লেখালেখিকে বিজ্ঞজনরা মূর্খতার প্রচার হিসেবেই আখ্যা দিচ্ছেন। অনলাইন এক্টিভিস্ট মাওলানা আহমদ হোসাইন আওয়ার ইসলামকে বলেন, আজকাল প্রযুক্তি কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফটোশপে ফটো এডিট এরই একটি। কারো সাথে কারো দ্বন্দ্ব লাগলেই বা মনোমালিন্য হলেই ফটো এডিট করে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। এ মানসিকতা নির্লজ্জ এবং বর্জনীয়।
আহমদ হোসাইন বলেন, যার ফটো প্রচার করা হচ্ছে একটু চিন্তা করলেই বোঝা যায় এই কাজ তার দ্বারা এটি করা সম্ভব কিনা।
ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করে নানাজনে নানা কথা বলছেন। কারো বক্তব্য ছবিটি ফটোশপের কারসাজি নয়। কেউ কেউ একে আবার জঘন্য মিথ্যাচার হিসেবে উল্লেখ করছেন।
সাব্বির রশীদ নামের একজন লিখেছেন, ফরীদ উদ্দীন মাসউদ! আপনি আবারও প্রমাণ করলেন আপনিই এদেশের যুুগ্য ও গ্রহণীয় আলেম!! বাকি সবাই অপদার্থ?
ওয়ালি উল্লাহ আরমান লিখেছেন, চমতৎকার একটা বর্ম রয়েছে অনেকের কাছে। যাচ্ছেতাই বক্তব্য দিয়ে বলে দাও আইডি হ্যাক। ছবির ব্যাপারে বলে দাও ফটোশপের কারসাজি।
আহমদ আবদুল্লাহ লিখেছেন, ফটোশপ দিয়া আমাদের বজ্জাত টাইপের স্বভাবটা বদলাইয়া দে!! আর না হয় ক্রসফায়ারে দে! ফটোশপ তেলেসমাতি আর ভালা লাগে না...
সাঈদ কাদির লিখেছেন, শতবার শাহবাগে যাওয়ার চেয়ে একবারের ফটোশপ-মিথ্যাচার বেশি জঘন্য।