মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক
সমস্যা: হুযুর আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র। আমি ইসলামী জীবন যাপন করতে খুবই আগ্রহী ও ইসলামী শরীয়ত মেনে চলার চেষ্টা করি। কিন্তু ওলামায়ে কেরামের সাথে আমাদের সম্পর্ক না থাকার দরুণ আমরা ইসলাম সম্পর্কে পূর্ণরূপে জেনে মানতে পারি না।
কিন্তু আমার জানা মতে অন্য দেশের ছাত্ররা ওলামায়ে কেরামের সাথে সম্পর্ক রাখা ও তাদের কিতাবাদি অধ্যয়নে রাখার কারণে অনেক ধর্মপরায়ণ। আর আমাদের বাংলাদেশে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা যা কিছু অধ্যয়ন করে তা অধিকাংশই মওদুদী বা মওদুদীপন্থী বা ভ্রান্ত লেখকদের বই।
তাই হুযুরের কাছে আমার সনির্বন্ধ আবেদন বাংলা ভাষায় ‘ইসলামী জীবন ব্যবস্থার’ উপর হক্কানী ওলামায়ে কেরামের লিখিত একটি বিস্তারিত তালিকা দিয়ে দ্বীনী ইলম অন্বেষণের পথে আমাদের সহায়তা করবেন বলে আশা রাখি।
পরামর্শ: দ্বীনের সঠিক বোধ ও জ্ঞান অর্জনের জন্য এবং দ্বীনের উপর অটল-অবিচল থাকার জন্য জরুরি হল, আহলে হক আলেমদের এবং আল্লাহ ওয়ালাদের সাথে সুসম্পর্ক রাখা এবং তাঁদের পরামর্শ অনুসারে চলা। এর পাশাপাশি তাদের পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে দ্বীনী গ্রন্থ ও বই-পুস্তক অধ্যয়ন করাও জরুরি। গ্রন্থ অধ্যয়নের ক্ষেত্রে কেবল ব্যক্তিগত অধ্যয়ন যথেষ্ট নয়।
বরং বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে নিয়ম অনুযায়ী শিখতে হবে, এবং নিজস্ব ধারণার উপর তাদের সিদ্ধান্তকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।আপনি দ্বীনী বই-পুস্তকের একটি বিস্তারিত তালিকা পেশ করতে বলেছেন। তো এই মুহূর্তে বিস্তারিত তালিকা পেশ করা কঠিন। এটি সময় সাপেক্ষ বিষয়। এছাড়া অধ্যয়নযোগ্য বিষয়াবলী তো অনেক। এরপর প্রতিটি বিষয়ে রয়েছে একাধিক কিতাব।
আহলে হক ও বিশেষজ্ঞ আলিমদের রচিত নির্ভরযোগ্য গ্রন্থসমূহ বিভিন্ন ধরনের রয়েছে। প্রতি শ্রেণীর সকল পর্যায়ের পাঠক সকল গ্রন্থ আত্মস্থ করতে পারবে- এমনটি অপরিহার্য নয়। সর্বপরি অধ্যয়নকারীর যোগ্যতা, বয়স ও অবস্থার ভিন্নতা ইত্যাদি প্রতিটি বিষয়ই এমন, যে কারণে অধ্যয়নের ক্ষেত্রে প্রত্যেকের ব্যক্তিগত অবস্থা অনুযায়ী কোনো বিজ্ঞ আলেমের পরামর্শে গ্রন্থ নির্বাচন করা প্রয়োজন। তো এখন এখানে আপাতত সংক্ষেপে বিষয়ভিত্তিক কিছু গ্রন্থ ও পুস্তিকার তালিকা পেশ করছি।
তরজমা ও তাফসীর
১. এমদাদিয়া লাইব্রেরী থেকে প্রকাশিত বঙ্গানুবাদ কুরআন শরীফ, যা মাওলানা হেদায়াতুল্লাহ সাহেব,মাওলানা আব্দুল মজীদ প্রমূখ কর্তৃক সম্পাদিত।২. তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন, মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উস