মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মনিরুল হক চৌধুরীকে প্রকাশ্যে তওবা ও ক্ষমা চাইতে হবে’ আতঙ্কিত হয়ে আমানত তোলা গ্রাহকদের বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে ইসলামী ব্যাংক তৃণমূলে সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়ানোর আহ্বান জমিয়ত মহাসচিবের দারুল উলুম সাবিলুস সালাম হায়দরাবাদের শায়খুল হাদিসের ইন্তেকাল দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে, বিস্তারিত শিগগির প্রকাশ হবে: ট্রাম্প সৌদি আরবে হিজরি নববর্ষ শুরু, ২৫ জুন পবিত্র আশুরা ৩ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘সংসদীয় আসনসমূহে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের খবরটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া হেফাজতের

এরদোগানের বিমানকে দেখেছিলো বিদ্রোহী বিমান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

turk sky copyআন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত শুক্রবারের অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার সময় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান মারমারার অবকাশ যাপন কেন্দ্র থেকে ইস্তাম্বুলে আসার সময় তার বিমানটি অভ্যুত্থানকারীদের দুটি এফ-১৬ জঙ্গিবিমানের দুই পাইলট দেখে ফেলেছিলো। কিন্তু তারা বিমানটি ভূপাতিত করেনি।

তুরস্কের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ফার্স্ট আর্মির কমান্ডার উমিত দান্দার শুক্রবার দিবাগত রাতে এরদোগানের সাথে যোগাযোগ করে অভ্যুত্থান শুরু হওয়ার বিষয়টি জানাতে পেরেছিলেন। এই খবর পেয়ে এরদোগান হোটেল ত্যাগ করেছিলেন। বিদ্রোহী সৈন্যরা যখন সেখানে পৌঁছে তাঁকে পায় নি। তিনি ইস্তাম্বুল রওনা হয়ে যান বিশেষ বিমানে।

এক সাবেক সামরিক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, অন্তত দুটি এফ-১৬ এস বিমান আকাশে এরদোগানের বিমানকে তাদের নজরদারিতে নিয়ে আসে। তারা এরদোগানের বিমানটি এবং তাকে পাহারা দেয়া অন্য দুটি এফ-১৬ এস জঙ্গিবিমানকে তাদের রাডারে নিবদ্ধ করে। তিনি বলেন, 'তারা কেন গুলিবর্ষণ করেনি, তা একটি রহস্য।'

এরদোগানকে হত্যা করতে পারলে অভ্যুত্থানটি সফল হয়ে যেতে পারতো। বিদ্রোহীরা তাকে হত্যা করার জন্য মারমারার ওই অবকাশযাপন কেন্দ্রে তিনটি হেলিকপ্টারও পাঠিয়েছিল।

আওয়ার ইসলাম ২৪ ডটকম / এফএফ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ