বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


তরুণদের ভাবনায় জিম্মি ঘটনা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

vsss

গুলশানের আর্টিজান রেস্টুরেন্টে গতরাতের জিম্মি ঘটনাটি এখন দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে । অভূতপূর্ব ঘটনাটি সবাইকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে দারুণভাবে। আলোচনা চলছে ফেসবুকেও। আওয়ার ইসলামের পাঠকদের জন্যে এই ঘটনা নিয়ে করা কিছু ফেসবুক পোস্ট তুলে ধরা হলো।

ওয়ালিউল্লাহ আরমান
1610063_1602733216617763_2731411841767956712_n“গুলশানের ঘটনাকে সাজানো নাটক বলা যাবে কি?"
এমন প্রশ্নের উত্তরে আমি একবাক্যে বলবো, নাহ, সাজানো নাটক বলা যায় না৷
আতংকিত মনে দুর্ভাবনা জেগে উঠছে; গুলশান বাংলাদেশকে শশ্মানের দিকে নিয়ে যাবে নাতো?
গুলশানে দেশী অভিজাত এবং বিদেশীদের পছন্দের ‘হোলি আর্টিজান' রেস্টুরেন্টে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের হামলা, গ্রেনেড বিস্ফোরণ এবং গোলাগুলিতে দু'জন পুলিশ কর্মকর্তা সহ পাঁচজন নিহত৷
বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে সাঁড়াশি অভিযান৷
পাবলিক এবং দেশীয় গণমাধ্যমকে ঘটনাস্থল থেকে দূরে সরিয়ে দেয়ার পর টেলিভিশনে লাইভ সম্প্রচারেও বাধা৷ যখন চ্যানেলগুলো পাবলিকদের নিয়ে রবীন্দ্র সংগীতে ডুব দিচ্ছে একই সময়ে সিএনএন, বিবিসি, সিবিএস সরাসরি প্রচারে বিশ্ববাসীকে বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদীদের তৎপরতা জানাচ্ছে৷
অদ্ভুত ব্যাপার হলো, আইএসের পাশাপাশি একই ঘটনার মালিকানা দাবী করছে, ‘আনসারুল ইসলাম' ‘আল কায়েদা৷' আনসারুল্লাহ বাংলা টিমও হয়তো দাবী করবে৷ আর সন্ত্রাসীদের মুক্তির কথিত দাবীর প্রেক্ষিতে জেএমবিকে তো জড়ানোই যায়৷ মরা গরুর হাড়, কংকাল নিয়ে যেভাবে শকুনেরা কামড়াকামড়ি করে, ছদ্মবেশীরাও তেমন করে ছিড়ে খুড়ে খেতে চাইছে আমাদের দেশটাকে৷
বিবিসি বলছে, এপর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২০ জন৷ সেখানে দেশী মিডিয়া জানাচ্ছে, আর্টিজানে ৫জন মারা গেছে৷
ঘটনার পরপর যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সাইট ইন্টিলিজেন্স গ্রুপ বলেছে, আইএস এই জিম্মী ঘটনার দায় স্বীকার করেছে৷
ঘটনার পরম্পরা বলছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন এই সন্ত্রাসী ঘটনাকে সাজানো নাটক বলা সম্ভবত ঠিক হবে না৷
এবং অতীতের মতো এই ঘটনাকেও আওয়ামীলীগ কর্তৃক বিএনপি-জামায়াতের উপর চাপানো অথবা তার প্রতিক্রিয়ায় বিপরীত দিক থেকে উল্টো ক্ষমতাসীন মহলকে দোষারোপের খেলায় অপুরণীয় ক্ষতি হবে দেশের৷ সুযোগ নিবে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র এবং সাম্রাজ্যবাদের সহযোগী মহল৷
এই ঘটনা আরো একবার আমাদেরকে চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো, আইএস নামক নৃশংস সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আসলে ইসলামবিদ্বেষী পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদেরই তৈরী৷
দেশী, বিদেশী চক্রান্তে কঠিন ঝুঁকির মুখে পড়ে গেলো প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ৷ হোলি আর্টিজানকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশকে ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তানের মতো রক্তাক্ত প্রান্তর বানানোর চক্রান্ত সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেলো বলেই মনে হচ্ছে৷ কারণ, সাম্প্রতিককালে আএএসের আগুন যেখানেই লেগà§