বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


রমযানের শেষ দশ দিন : কিভাবে কাটাবো

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ramadan-kareem-images copyমুফতি মুহাম্মদ আমিমুল ইহসান : আমরা রমযান মাসের শেষ দিনগুলোতে কথা বলছি। আপনারা এই মুবারাকের মাসের শেষ দিনগুলো অতিবাহিত করছেন। এ মাসে রোযা রেখেছেন, তারাবিহর নামায আদায় করেছেন, তাদের প্রতি আল্লাহ তায়ালা সন্তুষ্ট। এই মাসে আল্লাহ জান্নাতের দরজা খুলে দিয়েছেন। শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করেছেন। এই মাসের শুরুতে রহমত, মাঝে মাগফিরাত, শেষে জাহান্নাম থেকে মুক্তি। এই মাসে রোযাদারের মুখের ঘ্রাণ আল্লাহ তায়ালার কাছে মিশকের চেয়ে বেশি সুঘ্রাণ। এই মাসে প্রতি রাতে তিনি এমন এক লক্ষ মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন, যাদের উপর জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গিয়েছিল। এই মাস গুনাহগার বান্দার আল্লাহ তায়ালার সাথে সম্পর্ক গড়ার মাস।

আল্লাহ তায়ালা চান, প্রত্যেক সৎকর্মের পরে বান্দা যেন তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। আর আল্লাহ তায়ালা হাজীদেরকে হজের আমল শেষ করার পর বলেছেন, “অতপর তোমরা সে স্থান থেকে ফিরে এসো, যেখান থেকে অন্য হজ্ব পালনকারী ব্যক্তিরা ফিরে আসে। আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয় ক্ষমা করে দেন, তিনি বড়ই দয়ালু।” সুতরাং এই দিনগুলোতে আপনার জন্য আবশ্যক হলো, মহান আল্লাহর দিকে রুযু হওয়া এবং এই মহিমান্বিত মাসের শেষ সময়গুলো তওবা এস্তেগফারের সাথে কাটানো। যাতে আল্লাহ তায়ালা আপনাকে মকবুল বান্দাহদের দলে শামিল করে নেন, ক্ষমা প্রাপ্তদের দলে অন্তর্ভুক্ত করে নেন। কেননা সকল নবি আ. তাদের সৎকাজের পরে আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। হযরত নুহ (আ.) তার সম্প্রদায়কে বলেছিলেন, “আমি তাদের বলেছি, তোমরা তোমাদের মালিকের দুয়ারে ক্ষমা প্রার্থনা করো; নিসন্দেহে তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তদুপরি তিনি তোমাদের উপর আকাশ থেকে অঝোর বৃষ্টিধারা বর্ষণ করবেন। এবং ধন সম্পদ ও সন্তান সন্তুতি দিয়ে তিনি তোমাদের সাহায্য করবেন, তোমাদের জন্য বাগবাগিচা ও উদ্যান স্থাপন করবেন, নদী নালা প্রবাহিত করবেন।” হযরত হুদ (আ.) তার সম্প্রদায়কে বলেছিলেন, “তোমরা যেন তোমাদের মালিকের দরবারে ক্ষমা চাইতে পারো, অতপর গুনাহ থেকে তওবা করে তার দিকে ফিরে আসতে পারো। তাহলে তিনি তোমাদের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত উত্তম জীবন সামগ্রী দান করবেন এবং প্রতিটি মর্যাদাবান ব্যক্তিকে তার মর্যাদা অনুযায়ী দেবেন।” হযরত সুলাইমান (আ.) তার রাজত্ব ও সেনাবাহিনী দেখে বলেছিলেন, “হে আমার মালিক ! তুমি আমাকে ক্ষমা করো, এবং তুমি আমাকে এমন এক সম্রাজ্য দান করো, যা আমার পরে আর কেউ কোনদিন পাবে না, নিশ্চয় তুমি মহাদাতা।” হযরত ইবরাহিম (আ.) তার শেষ বয়সে বলেছিলেন, “শেষ বিচারের দিন আমি তার কাছ থেকে এ আশা করবো, তিনি আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন।”

আল্লাহ তায়ালা এস্তেগফারকারীদের ব্যাপারে ওয়াদা করেছেন যে, তারা যতক্ষন পর্যন্ত এস্তেগফার করতে থাকবে ততক্ষন পর্যন্ত তিনি তাদেরকে দুনিয়ায় আযাব দেবেন না। ইরশাদ করেছেন, “আল্লাহ তায়ালা এমà