বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


আমি নারীবাদী আন্দোলন, ব্রিটিশষড়যন্ত্রমূলক তথাকথিত মৌলবাদবিরোধী আন্দোলন সমর্থন করি না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

akf copyঅধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। একজন নম্রভদ্র রুচিশীল ব্যক্তিত্ব। গত পঞ্চাশ বছরের লেখালেখিতে অন্তত নিজের জন্য চিন্তার একটি স্বাধীন জায়গা আবিষ্কার করেছেন যা থেকে তিনি একচুলও নড়তে প্রস্তুত নন; যতক্ষণ না সঠিকভাবে কেউ চ্যালেঞ্জ কিংবা সমালোচনা করেন। সেই চ্যালেঞ্জ বা সমালোচনা যদি পাল্টা সমালোচনার ধোপে টেকে তবে তিনি যেমন শক্ত তেমনই নরম। অত্যন্ত স্বাধীন ও দৃঢ়চেতা এই মনীষী জাতির প্রতি এক প্রবল দরদ অনুভব করেন। বুকে লালন করেন এক সীমাহীন আশা- একদিন এই জাতি ঠিকই আবার মাথা তুলে দাঁড়াবে, সেই একাত্তরের মতো। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জাকির মাহদিন

আওয়ার ইসলাম : আপনার সাম্প্রতিক লেখাগুলোয় ‘শান্তি ও সমঝোতার বাণী’ প্রবলভাবে উপস্থিত। কিন্তু শান্তি ও সমঝোতার শর্ত হিসেবে যে ধরনের কৌশলগত ও তাত্ত্বিক এবং জাতীয় ঐক্যের স্পৃহা সৃষ্টিকারী বক্তব্য প্রয়োজন, অন্যভাবে বলতে গেলে জাতিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঐক্যবদ্ধ করার মতো প্রেরণদায়ি লেখা এবং জাতি এ মুহূর্তে যে একজন ‘প্রবীণ হিরো’ চায় সেসব উপাদান নেই কেন?

আবুল কাসেম ফজলুল হক : জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলাটাই এখন আমাদের কেন্দ্রীয় কাজ। কিন্তু প্রকৃত দল, সংগঠন এবং নেতার অভাবে সেটা হচ্ছে না। লেখকদের মধ্যে লেখকসুলভ বৈশিষ্ট্য একেবারেই কমে গেছে। তাদের মধ্যে ইন্টেলেকচুয়াল ক্যারেকটার (বৌদ্ধিক চরিত্র) একেবারেই নেই। পাকিস্তান আমলে যেমন ছিল, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রথম আট-দশ বছরও যেমন ছিল, এখন সেটা নেই। আমাদের দেশে এখন লেখক-বুদ্ধিজীবী বলে যারা পরিচিত তারা বিভিন্ন সিভিল সোসাইটির মেম্বার হয়ে গেছে। বৈদেশিক টাকায় যেসব সংস্থা-সংগঠন চলে যেমন ইলেকশন ওয়াচ, ডেমোক্র্যাসি ওয়াচ ইত্যাদি। এসবই সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন। এগুলোর যারা সদস্য ও কর্তাব্যক্তি তাদের বোধ-বুদ্ধি চিন্তাভাবনা সংগঠন ও বাইরের দ্বারা নির্ধারিত, নিয়ন্ত্রিত। তাই এদের কথাবার্তা ও কাজ সময়ের দাবির সঙ্গে খাপ খায় না। সময়ের দাবি, গণতন্ত্রকে সফল করা। গণতন্ত্র কী, গণতন্ত্র কী নয়, গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা কিভাবে সম্ভব, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব à¦