মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুসলিমরা আর কাউকে নেতা বানাবে না, নিজেরাই হবে: ওয়াইসি সেপ্টেম্বরে মসজিদে নববিতে ২ কোটি ১০ লাখের বেশি মুসল্লি ও দর্শনার্থী রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে হেফাজতের প্রতিবাদ, প্রত্যাহারের আহ্বান দেশের সব ফাজিল-কামিল মাদ্রাসার কমিটি বাতিল ফ্রান্সে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে কারফিউ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী আলিম পরীক্ষা ২০২৮, নম্বর বণ্টনসহ নতুন সিলেবাস প্রকাশ বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন যেসব ঝুঁকি রয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ে হাতপাখার প্রচার রিকশা ভাঙচুর, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি দিল্লির রেসকোর্স মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ‘সমাজে নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইমামদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’

খুলনায় প্রথমবার করোনা রোগীর শরীরে 'প্লাজমা থেরাপি'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: খুলনায় এই প্রথমবার একজন মুমূর্ষু করোনা রোগীর শরীরে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনা করোনা হাসপাতালে ওই রোগীর শরীরে এ থেরাপি প্রয়োগ করা হয়।

এর মধ্য দিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজের (খুমেক) অধীনস্ত করোনা ভাইরাস ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্রা যোগ হলো।

খুমেকের সহকারী অধ্যাপক ও ট্রান্সফিশন মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. এস.এম তুষার আলমের নেতৃত্বে আরও পাঁচজন বিশেষজ্ঞের একটি দল এই প্লাজমা থেরাপির কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তাদের সার্বিক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন খুমেকের উপাধ্যক্ষ ও করোনা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা কমিটির সার্বিক সমন্বয়কারী ডা. মেহেদী নেওয়াজ।

জানা যায়, বাগেরহাটের বাসিন্দা স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন মুহা. মঞ্জুরুল বৃহস্পতিবর খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে তার শরীরের প্লাজমা দান করেন। তিনি গত এপ্রিল মাসে করোনায় আক্রান্ত হন এবং পরবর্তীতে চিকিৎসকের পরামর্শে সুস্থ হয়ে ওঠেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ট্রান্সমিউশন বিভাগে রক্ত সংগ্রহ করে সেল সেপারেটর মেশিনের মাধ্যমে প্লাজমা আলাদা করে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর শরীরে তা প্রয়োগ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আহাদ, খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুন্সি রেজা সেকেন্দার, উপাধ্যক্ষ ও করোনা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা কমিটির সার্বিক সমন্বয়কারী ডা. মেহেদী নেওয়াজ, করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ডা. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. এস.এম তুষার আলম, ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, ডা. ফিরোজ, ডা. অনিক দেউরি ও ডা. সাইফ মানসুর।

ডা. তুষার আলম বলেন, খুলনায় এই প্রথম করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় সারাবিশ্বে স্বীকৃত চিকিৎসা পদ্ধতি প্লাজমা থেরাপি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রয়োগ করা শুরু হলো। একজন করোনা জয়ীর শরীর থেকে রক্ত সংগ্রহ করে প্লাজমা আলাদা করে করোনা আক্রান্ত এক ব্যক্তির শরীরে তা প্রয়োগ করা হয়েছে।

দু’একদিনের মধ্যে ওই রোগীর শরীরে ইতিবাচক লক্ষণ প্রকাশ পাবে এবং তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশাপ্রকাশ করেন ডা. তুষার।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ