
|
‘বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণ করুন’
প্রকাশ:
৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:০৫ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
নিজস্ব প্রতিবেদক দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি পুনর্নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম (শায়খে চরমোনাই)। তিনি বলেছেন, শ্রম কমিশনের অধীনে মজুরি বোর্ডের মাধ্যমে গার্মেন্টস শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত পর্যালোচনা করে বাস্তবায়নের কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশের ২০২৭-২৮ সেশনের মাসিক বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শায়খে চরমোনাই বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াত ব্যয় ক্রমাগত বাড়লেও শ্রমিকদের মজুরি জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে স্বল্প আয়ের গার্মেন্টস শ্রমিকদের পক্ষে পরিবার-পরিজন নিয়ে সম্মানজনক জীবনযাপন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও জীবনযাত্রার প্রকৃত ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করতে হবে। মজুরি পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে শ্রমিকদের খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা ও অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। বৈঠকে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান বলেন, গার্মেন্টস শিল্প দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এ শিল্পের উৎপাদন ও বিকাশে শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম। অথচ শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা না গেলে এ শিল্পের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, শ্রমিক ও মালিক উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে শ্রম কমিশনের অধীনে মজুরি বোর্ডের মাধ্যমে শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত পর্যালোচনা ও বাস্তবায়ন করা জরুরি। শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য মজুরি, চাকরির নিশ্চয়তা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ প্রতিষ্ঠায় সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। শ্রমিকদের মতামত ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে শ্রম কমিশনের সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং শিল্পের স্বাভাবিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সরকার, মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শ্রমিক সংগঠনগুলোকে দায়িত্বশীল ও সমন্বিত ভূমিকা পালন করতে হবে। এসএইচ/ |