
|
তুরস্কের ক্যাপাডোসিয়ায় পাহাড়ধসে ৩ জনের মৃত্যু
প্রকাশ:
৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৪ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
তুরস্কের পর্যটনকেন্দ্র ক্যাপাডোসিয়ায় ভারি বৃষ্টির কারণে ভূমিধসের পর বিশাল পাথরের স্তম্ভ ধসে তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিক এবং বাকি দুজন তুরস্কের নাগরিক। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে ক্যাপাডোসিয়ার গোরেমে শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। শহরটির উন্মুক্ত জাদুঘরের কাছে একটি গাড়ি পার্কিং এলাকার পাশে থাকা পাথরের স্তম্ভটি ভূমিধসের কারণে ভেঙে পড়ে। তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় দুজনের মৃত্যু এবং পাঁচজনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। পরে উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও একজনের লাশ উদ্ধার করেন। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনে দাঁড়ায়। নেভশেহির প্রদেশের গভর্নর হুসেইন কোক জানান, নিহতদের মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিক। বাকি দুজন তুরস্কের নাগরিক। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাথরের স্তম্ভটি ধসে পড়ার সময় বিকট শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তেই চারপাশ ধুলায় ঢেকে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকাটি সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। উদ্ধারকর্মীরা শক্তিশালী আলোর ব্যবস্থা করে সারা রাত ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালান। এ কাজে খননযন্ত্রও ব্যবহার করা হয়। উদ্ধার অভিযান শেষে গভর্নর হুসেইন কোক জানান, উদ্ধার ও তল্লাশির সব কার্যক্রম শেষ হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ সম্পন্ন করার পর উদ্ধারকারী দলগুলোকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আপাতত সেখানে আর অভিযান চালানোর প্রয়োজন নেই। তিনি আরও জানান, শুক্রবার থেকে প্রধান সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয়ের উদ্যোগে ঘটনার তদন্ত শুরু হবে। পাশাপাশি বিশেষজ্ঞরা দুর্ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন। উল্লেখ্য, তুরস্কের ক্যাপাডোসিয়া অঞ্চল বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত এই অঞ্চলটি আগ্নেয়গিরির প্রাচীন কার্যকলাপে তৈরি শঙ্কু আকৃতির পাথুরে স্তম্ভের জন্য বিখ্যাত। স্থানীয়ভাবে এসব গঠনকে ‘ফেরি চিমনি’ বলা হয়। তথ্যসূত্র: সিএনএ |