
|
লেখকপত্র পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের আড্ডা
প্রকাশ:
২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:৩৯ রাত
নিউজ ডেস্ক |
লেখা ও লেখকের কথা নিয়ে প্রকাশিত "লেখকপত্র" পরিবারের সাথে প্রাণবন্ত সাহিত্য আড্ডায় মিলিত হয়েছেন কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদ নেতৃবৃন্দ। ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় লেখকপত্র পরিবারের কক্সবাজার সফরকালে সমুদ্র তীরের এক রেস্টুরেন্টে এ সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের সভাপতি মাওলানা নুরুল হক চকোরীর সভাপতিত্বে এ সাহিত্য আড্ডায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পুষ্পকলি সম্পাদক মাওলানা হাফেজ মুহাম্মদ আবুল মঞ্জুর। প্রাণবন্ত এ আয়োজনে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, লেখকপত্র সম্পাদক মাওলানা জহির উদ্দিন বাবর, নির্বাহী সম্পাদক কবি মাওলানা মুনীরুল ইসলাম, আওয়ার ইসলাম সম্পাদক মাওলানা হুমায়ুন আইয়ুব, লেখক মাওলানা মাসউদুল কাদির, সহযোগী সম্পাদক শামসুদ্দিন সাদী, সহকারী সম্পাদক এমদাদুল হক তাসনীম ও শিল্প সম্পাদক ইলিয়াস হোসাইন। এ ছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন, মক্কা লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী মাওলানা আব্দুল্লাহ, "প্রচারপত্র" এর নির্বাহী সম্পাদক মুহাম্মদ মহিউদ্দিন খান, সাহিত্যকলির আব্দুল্লাহ মাহমুদ প্রমুখ। এ সময় কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদ নেতৃবৃন্দ "লেখকপত্র" এর সাহিত্যিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও সৃজনশীল উদ্যোগের প্রশংসা করে চমৎকার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। লেখক তৈরির পাশাপাশি মননশীল পাঠকসমাজ গড়ে তোলা এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টিতেও লেখকপত্র ইতিবাচক অবদান রাখছে বলে তাঁরা মন্তব্য করেন। সাহিত্য আসরে সফররত অতিথি লেখকবৃন্দ বলেন, সাহিত্য কেবল শব্দের শৈল্পিক বিন্যাস নয়; বরং মানুষের আলোকিত চিন্তা-চেতনার বিকাশ, নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রতকরণ এবং সত্য ও সুন্দরের পক্ষে সমাজকে উদ্বুদ্ধ করার শক্তিশালী মাধ্যম। তাই ইসলামী আদর্শ ও ঈমানী চেতনার আলোকে সুস্থধারার সাহিত্যচর্চাকে আরও গতিশীল করতে লেখক-সাহিত্যিকদের নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তাঁরা সুস্থধারার শিল্প-সাহিত্যের বিকাশে কক্সবাজার ইসলামী সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদ ও রামু লেখক ফোরামের নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। একই সাথে পুষ্পকলি ও সাহিত্যকলির প্রকাশনাকে ইসলামী সাহিত্যচর্চার অগ্রযাত্রায় আশাজাগানিয়া উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। অনাড়ম্বর অথচ প্রাণবন্ত এ আসরে বাংলা ভাষা, ইসলামী সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা ও সংবাদপত্র অঙ্গনের সোনালী অতীত ধারণকারী দৈনিক নাজাত, সাপ্তাহিক নেজামে ইসলাম ও মুনাদীর মতো সংবাদপত্র ও সাময়িকীর কথাও উঠে আসে। লেখকবৃন্দ বলেন, সময়ের পরিক্রমায় এসব প্রকাশনার ধারাবাহিকতা হারিয়ে যাওয়া বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চার জন্য এক অপূরণীয় শূন্যতা। তাই ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও আদর্শিক উত্তরাধিকার সংরক্ষণ করে এসব সংবাদপত্র ও সাময়িকী পুনরায় প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এমএম/ |