
|
সপ্তমবারের মতো পাকিস্তান বেফাকের মহাসচিব হলেন মাওলানা হানিফ জালান্ধরি
প্রকাশ:
০৩ জুলাই, ২০২৬, ০৫:২৩ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
বিশেষ প্রতিনিধি পাকিস্তানের সর্ববৃহৎ কওমি শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া পাকিস্তানের মহাসচিব হিসেবে টানা সপ্তমবার দায়িত্ব পেয়েছেন মাওলানা হানিফ জালান্ধরি। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) পাকিস্তান বেফাকের শূরা ও আমেলার বৈঠকে কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবারও পাকিস্তান বেফাকের সভাপতি হয়েছেন বিশ্ববিখ্যাত ইসলামি স্কলার মুফতি তাকী উসমানী। আর টানা সপ্তমবারের মতো মহাসচিব হন মাওলানা হানিফ জালান্ধরি। আড়াই দশকের বেশি সময় ধরে পাকিস্তান বেফাক মাওলানা হানিফ জালান্ধরির ধারাবাহিক নেতৃত্বে সাংগঠনিক বিস্তার, শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করছে। ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া পাকিস্তান বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম ইসলামি শিক্ষাবোর্ড হিসেবে পরিচিত। দেওবন্দি ধারার এ বোর্ডের সঙ্গে ১০ হাজারের বেশি মাদরাসা এবং প্রায় ৮ হাজার ইকরা স্কুল যুক্ত রয়েছে। মাত্র ৩৭ বছর বয়সে ১৯৯৮ সালের ২ মার্চ, বেফাকের মহাসচিব নির্বাচিত হন মাওলানা হানিফ জালান্ধরি। এরপর থেকে টানা এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং এবার সপ্তমবারের মতো মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন। বোর্ডটির সম্প্রসারণ, পরীক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা কারিকুলামের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিতি বৃদ্ধির পেছনে তাঁর নেতৃত্বকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এর আগে মাত্র ২০ বছর বয়সে ১৯৮১ সালে তিনি জামেয়া খায়ের-উল-মাদারিস-এর তৃতীয় মুহতামিম (প্রিন্সিপাল) নির্বাচিত হন। ২০১৩-১৪ সালে বিশ্বের সর্বাধিক কুরআনের হাফেজ তৈরিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি আন্তর্জাতিক সংস্থা কুরআন মেমোরাইজেশন (মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের উদ্যোগ) থেকে ‘কুরআন মেডেল’ লাভ করেন। মাওলানা হানিফ জালান্ধরির নেতৃত্বেই ২০১০ সালে পাকিস্তান বেফাক সরকারি স্বীকৃতি অর্জন করে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, স্বীকৃতি পাওয়ার পর দীর্ঘ সময়েও পাকিস্তান বেফাকে প্রশ্নফাঁস, ফলাফল বাণিজ্য বা নিয়োগ-সংক্রান্ত বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসেনি। আইও/ |