
|
এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন করে ছাড়ব: শিক্ষামন্ত্রী
প্রকাশ:
২৫ জুন, ২০২৬, ০৩:৫৪ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একইসঙ্গে প্রশ্ন ফাঁসে কাউকেই কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এইচএসসি এবং সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বরিশাল অঞ্চলের আওতাধীন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশ্ন ফাঁস হতে দেওয়া যাবে না। প্রশ্ন ফাঁস হলে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ। মেধার কোনো বিকল্প নাই, এই মেধাবী বানাবে শিক্ষকরা। আমাদের মাত্র যাত্রা শুরু হলো। আমরা জোর করে ক্ষমতায় থাকতে চাই না। যে কদিন থাকব সিংহের মতো বেঁচে থাকবো। আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ২০০১ সালের পর আর নকল হয়নি। ২০০৬ সালে নকলের দাফন, কাফন, চল্লিশা খেয়ে আমরা বিদায় নিলাম। পরে দেখা গেল নকল করোনার মতো ভেরিয়েন্ট বদলে আবার চলে এলো। আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পুলিশ সদস্যদের বডি ওর্ন ক্যামেরা থাকবে। বাইরে থেকে কেউ আক্রমণ করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রত্যেক কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার কোনো বিকল্প চলবে না। পরীক্ষার খাতা দেখার বিষয়ে তিনি বলেন, এবারে কেউ খাতা দেখার বিষয়টি আইনে যুক্ত করা হয়েছে। খাতা পরিবর্তন করা যাবে না, প্রয়োজন হলে বোর্ড থেকে খাতা নিয়ে যাব, সেগুলো নিয়ে আমি চেক করব। এগুলো আমি আইনে রেখেছি। মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারে এসএসসি পরীক্ষা সুন্দরভাবে হয়েছে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। আশা করছি এবারের পরীক্ষাও ভালো হবে সুন্দর হবে। আমরা পরীক্ষার বিষয়ে প্রশাসনিক সব স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য কি কি করা যায়, শিক্ষকদের কী কী অসুবিধা রয়েছে, প্রতিষ্ঠানে কি কি দুর্বলতা রয়েছে সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যই আমার এই সফর। নকল নামের জিনিসটি বাংলাদেশে আর নেই এটি শেষ হয়ে গেছে। এখন শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য কী কী করা প্রয়োজন সেই কাজ গুলো আমরা করছি। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, যেই মামলাগুলোর কারণে আমরা শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারতাম না সেগুলো মহামান্য আদালতের মাধ্যমে এখন হচ্ছে। ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগের মামলাটি জুলাই মাসের ২ তারিখে হচ্ছে। যেগুলো যুগ যুগ ধরে এতদিন আটকে ছিল। মহামান্য আদালতও শিক্ষা ব্যবস্থায় যেন আমরা সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারি সেই সহযোগিতা করছেন। আগামীর বাংলাদেশ গড়ার জন্য যে শিক্ষা ব্যবস্থা করা দরকার সেটি প্রধানমন্ত্রী করছেন। বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আয়োজনে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য, সিটি কপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমানসহ বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেডএম/ |