‘আলেমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মুলাকাতের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে কল্যাণের উপলক্ষ হবে’
প্রকাশ: ০৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০৯ বিকাল
নিউজ ডেস্ক

ইমরান ওবাইদ, সাব-এডিটর

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাবুনগর সফরকে ভবিষ্যতের জন্য কল্যাণের উপলক্ষ বলে মন্তব্য করেছেন দেশের প্রখ্যাত আলেমে দীন, লেখক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার এই মুলাকাতের ধারাবাহিকতা যদি রক্ষা করতে পারেন, নিশ্চয়ই তা কল্যাণের উপলক্ষ হবে।

রোববার (৯ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এদেশের কিংবদন্তিতুল্য বেশ কয়েকজন আলেম মনীষীর জীবনের ওপর স্মারকগ্রন্থ নিয়ে কাজ করার সুবাদে মরহুম জিয়াউর রহমান সম্পর্কে একটি বর্ণনা একাধিকবার পেয়েছি। তিনি ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায়-থানায় কিংবা গ্রামে যখন যেতেন সেখানকার বড় ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, আলেম-ওলামার সঙ্গে খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখা করতেন এবং দোয়া চাইতেন। অনেক সময় সৌজন্য করে হলেও বলতেন, আমাকে কিছু পরামর্শ দিন, আমাকে কিছু বলুন। এটা তার একটা অনুসরণীয় গুণ-বৈশিষ্ট্য ছিল।

এদিকে রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় গিয়ে হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বেলা সাড়ে ৩টার দিকে হেলিকপ্টারে করে ফটিকছড়ির পেহেলগাজী দিঘীর মাঠে অবতরণ করেন তিনি। পরে সড়কপথে বাবুনগর মাদরাসায় পৌঁছান। সেখানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এরপর দুজনের মধ্যে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে নয় দফা দাবি পেশ করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ইসলাম ও পবিত্র কুরআনের অবমাননা রোধে আইন প্রণয়ন, কুরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন না করা, বিভিন্ন আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিসের স্বীকৃতি কার্যকরসহ শিক্ষাব্যবস্থায় বিভিন্ন পরিবর্তন।

আইও/