শায়খ আওয়ামার মোবারক সান্নিধ্যে
প্রকাশ: ০৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০৫ দুপুর
নিউজ ডেস্ক

|| মুফতি রেজাউল কারীম আবরার ||

আমার জীবনের অন্যতম বড় স্বপ্ন ছিল শায়খ মুহাম্মাদ আওয়ামা (হাফিযাহুল্লাহ)-এর সান্নিধ্যে কিছু সময় কাটানো। আল্লাহ তাআলা আজ ইস্তাম্বুলে সেই স্বপ্ন পূরণের তাওফিক দান করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল ১০টায় আমরা শায়খের বাসভবনে উপস্থিত হই। শায়খের সুযোগ্য পুত্র শায়খ মহিউদ্দীন আওয়ামা (হাফিযাহুল্লাহ) আন্তরিকতার সঙ্গে আমাদের স্বাগত জানান।

এরপর প্রায় এক ঘণ্টা শায়খ মুহাম্মাদ আওয়ামা (হাফিযাহুল্লাহ)-এর সান্নিধ্যে থাকার সৌভাগ্য হয়। এ সময় তিনি আমাদের অত্যন্ত মূল্যবান চারটি নসিহত করেন। ইনশাআল্লাহ, পরবর্তীতে সেগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরব।

শায়খ হিফজুর রহমান কুমিল্লায়ী (হাফিযাহুল্লাহ) তাঁর রচিত একটি গ্রন্থ শায়খকে হাদিয়া দেন। শায়খ জানালেন, তাঁর মাকতাবায় আল-বুদূরুল মুযিয়্যা গ্রন্থটি সংরক্ষিত আছে।

আমার রচিত "বার মাসের করণীয় ও বর্জনীয়" বইটির আরবি সংস্করণের মাত্র একটি কপি প্রস্তুত করে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলাম। শায়খের সামনে বইটি পেশ করলে তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে আমার জন্য দোয়া করেন।

একপর্যায়ে আমাদের জাতীয় মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুল মালেক (হাফিযাহুল্লাহ)-এর প্রসঙ্গ উঠলে শায়খ তাঁর জন্য অনেক দোয়া করেন, তার শারীরিক অবস্থা জানতে চান এবং তার কাছে নিজের সালাম পৌঁছে দেওয়ার জন্য বলেন।

এ সময় শায়খের পুত্র শায়খ মহিউদ্দীন আওয়ামা (হাফিযাহুল্লাহ) মাওলানা আবদুল মালেক (হাফিযাহুল্লাহ) সম্পর্কে বলেন:

هو أكثر من أخي

"তিনি আমার কাছে ভাইয়ের চেয়ে বেশি কিছু।"

এরপর শায়খের সমৃদ্ধ মাকতাবা শায়খ মুহিউদ্দিন আওয়ামা আমাদের ঘুরে দেখান। আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ এ মাকতাবা দেখে আমরা নিজেদের সমৃদ্ধ করেছি।

আমরা যখন ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম, শায়খ আওয়ামা হাফি. নিজে ওঠে এসে মাওলানা আবদুল মতিন হাফি. এর লিখিত "কিফায়াতুল মুগতাযী" আমাদের দেখান। মাওলানা আবদুল মতিন হাফি. এর জন্যও শায়খ অনেক দোয়া করেন।

মুসলিম বিশ্বের এই মহান মুহাক্কিক আলেম আজ বার্ধক্যের ভারে ন্যুব্জ। আল্লাহ তাআলা তাকে সুস্থতা, আফিয়াত ও নেক হায়াত দান করুন। তার ইলম ও খেদমত দ্বারা উম্মাহকে আরও দীর্ঘদিন উপকৃত হওয়ার তাওফিক দান করুন।

লেখক: তরুণ আলেম, মুনাজির ও লেখক

এসএইচ/