
|
আল-জামিয়া পটিয়ার পক্ষ থেকে চকরিয়া-পেকুয়ায় খাদ্য সহায়তা বিতরণ
প্রকাশ:
২৪ জুলাই, ২০২৬, ০৬:৫৪ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার উদ্যোগে বন্যাকবলিত কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) চকরিয়া উপজেলার হারবাং, বরইতলী, রাসুলাবাদ, ডেঙ্গাকাটা, পহরচাঁদা, পাহাড়তলী ও মচনিয়াকাটা এবং পেকুয়া উপজেলার টইটং, পেকুয়া পৌরসভা, দক্ষিণ মেহেরনামা ও বাঘগুজারা এলাকার মুসলিম ও অমুসলিম বন্যাদুর্গত পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, আলুসহ বিভিন্ন ধরনের শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি কয়েকটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নগদ আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হয়। এর আগে প্রথম ধাপে বাঁশখালীসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় হাজারো বন্যাকবলিত পরিবারের কাছেও খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দেয় প্রতিষ্ঠানটি। মাদরাসার মুহতামিম মুফতি একরাম হোসাইন অদুদীর নেতৃত্বে পরিচালিত এ মানবিক কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে মুহতামিম আল্লামা জাকারিয়া আজহারী, নাজেমে তালিমাত মুফতি জসিম উদ্দিন কাসেমী, মাওলানা হাফেজ মাসুম, মাওলানা সলিমুদ্দিন মাহদী কাসেমী, মাওলানা আনিসুল হক, মাওলানা শহীদুল ইসলামসহ মাদরাসার শিক্ষক, কর্মকর্তা, খাদেম ও স্বেচ্ছাসেবকরা। এ সময় চকরিয়া পাহাড়তলী তা'লীমুল কুরআন মাদরাসা এবং পেকুয়া আশরাফুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করেন। ত্রাণ বিতরণকালে মাদরাসার মুহতামিম মুফতি একরাম হোসাইন অদুদী বলেন, দুর্যোগ-দুর্বিপাকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত এ মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, সবার সহযোগিতায় আরও বেশি অসহায় মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। মুফতি একরাম হোসাইন অদুদী আরও বলেন, আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার ইতিহাস শুধু দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারের নয়, মানবসেবারও এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। ১৯৯১ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়, দেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যাসহ প্রতিটি জাতীয় সংকটে প্রতিষ্ঠানটি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান ত্রাণ কার্যক্রমও সেই মানবিক ঐতিহ্যেরই ধারাবাহিকতা। আইও/ |