‘হরমুজকে দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান’
প্রকাশ: ২০ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩৭ দুপুর
নিউজ ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরান হরমুজ প্রণালিকে একটি চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।  একই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্যান্য দেশকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন।

সোমবার (২০ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা আনাদোলু।

স্থানীয় সময় রোববার (১৯ জুলাই) ফিলিপাইনের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রুবিও বলেন, ‘স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে, ইরানের অন্তত কিছু মানুষ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় এবং এটিকে বিশ্বের ওপর চাপ প্রয়োগের উপায় হিসেবে ব্যবহার করতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘ইরানের কিছু ব্যক্তি এই কৌশলগত নৌপথের নিয়ন্ত্রণকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে।’

রুবিও জানান, বৈশ্বিক নৌ বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ চালিয়ে যাবে। তবে এই দায়িত্ব ভাগ করে নিতে অন্যান্য দেশকেও এগিয়ে আসতে হবে। তাদের অর্থ সহায়তা বা সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে সহযোগিতা করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের নৌ চলাচল রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র যা প্রয়োজন তা করবে। তবে অন্য দেশগুলোকেও দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বা অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে।’

রুবিও আরও বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনও আগ্রহী। তবে কূটনীতি ব্যর্থ হলে পরিস্থিতি তেহরানের জন্য অনুকূল হবে না।’

তার দাবি, ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

এদিকে শনিবার ইরাকে ইরানের হামলায় এক মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে রুবিও বলেন, এটি একটি দুর্ঘটনা ছিল। একটি ভূপাতিত ইরানি ড্রোনের অবিস্ফোরিত অংশ নিয়ন্ত্রিতভাবে ধ্বংস করার সময় ওই ঘটনা ঘটে।

তিনি আরও দাবি করেন, শুক্রবার ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে একটি জর্ডানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করেছিল। তবে বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্রই প্রতিহত করা হয়।

রুবিও বলেন, ‘বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাবেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানে পালটা হামলা চালিয়েছে।’