মাওলানা আবু তাহের নদভীর ইন্তেকালে আল্লামা মাহমূদুল হাসানের শোক প্রকাশ
প্রকাশ: ৩০ মার্চ, ২০২৬, ০১:৫৩ দুপুর
নিউজ ডেস্ক

পটিয়া মাদরাসার মহাপরিচালক ও ইত্তেহাদুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, বরেণ্য আলেমে দ্বীন আল্লামা আবু তাহের নদভীর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কওমি মাদরাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ আল-হাইয়াতুল উলিয়ার চেয়ারম্যান ও বেফাক সভাপতি, মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের আমীর ও যাত্রাবাড়ী বড় মাদরাসার মুহতামিম মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান।

গণমাধ্যমে প্রেরিত এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, হযরত মাওলানা আবু তাহের নদভী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের এক বিরল সংমিশ্রণ। তিনি দক্ষিণবঙ্গের সর্বোচ্চ দ্বীনি বিদ্যাপীঠ জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ার মুহতামিম ছিলেন, একই সাথে কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড 'ইত্তেহাদ'-এর চেয়ারম্যান হিসেবেও অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। তার ইন্তেকালে দেশের ইলমি ময়দানে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হলো। একে একে শীর্ষ আলেমদের ইন্তেকাল আমাদের ইলমি ময়দানে গভীর শূন্যতা তৈরি করছে, যা সকলের জন্য উদ্বেগজনক।

শোকবার্তায় আল্লামা মাহমূদুল হাসান বিশেষভাবে মরহুমের আধ্যাত্মিক জীবনের উচ্চ মাকাম ও থানভি সিলসিলার সাথে তার গভীর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, মাওলানা আবু তাহের নদভী রহ. আধ্যাত্মিক জীবনের প্রাথমিক দীক্ষা লাভ করেছিলেন দাওয়াতুল হকের প্রতিষ্ঠাতা মুহিউস সুন্নাহ শাহ আবরারুল হক হাক্কী রহ. এর নিকট থেকে। পরবর্তীতে তিনি ফকীহুল মিল্লাত মুফতি আব্দুর রহমান রহ.-এর নিকট থেকে খেলাফত লাভ করেন। ফকিহুল মিল্লাতের ইন্তেকালের পর তিনি অধমের সাথে ইসলাহি তায়াল্লুক কায়েম করেন এবং আমি তাকে খেলাফত প্রদান করি। কখনো ভাবতেও পারিনি, তিনি আমার আগে রফিকে আলার সান্নিধ্যে চলে যাবেন। এতে আমি গভীর শোকাহত।

আল্লামা মাহমূদুল হাসান আরও বলেন, আবু তাহের কাসেমি নদভীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল, তিনি একইসাথে দারুল উলূম দেওবন্দের ফিকহি গভীরতা এবং নদওয়াতুল উলামার চিন্তাধারাকে অত্যন্ত সুক্ষ্ম ও সমন্বিতভাবে প্রচার করেছেন। তার নিরহংকার জীবন এবং ইলমি খেদমত যুগ যুগ ধরে তালেবে ইলমদের পাথেয় হয়ে থাকবে। 

পরিশেষে আল্লামা মাহমূদুল হাসান মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার, শিষ্য ও ভক্ত-অনুরাগীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে মরহুমের রুহের মাগফিরাত ও জান্নাতুল ফেরদাউসে উচ্চ মাকাম কামনা করেন।

আইও/