ইমামদের পক্ষে শায়খে চরমোনাইয়ের যে দাবি মেনে নিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশ: ১৪ মার্চ, ২০২৬, ০১:১৪ দুপুর
নিউজ ডেস্ক

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আজ শনিবার (১৪ মার্চ) ধর্ম মন্ত্রণালয় আয়োজিত দেশের ‘ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষগণের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম’- এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির ও শায়খে চরমোনাই মুফতি মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সামনে ইমামদের পক্ষে ইস্যুভিত্তিক কয়েকটি দাবি জানান। এর মধ্যে ইমামদের চাকরির একটি নীতিমালা করা সংক্রান্ত দাবি তাৎক্ষণিকভাবে বাস্তবায়ন করবেন বলে আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।  
শায়খে চরমোনাই সংক্ষেপে চারটি পয়েন্টে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যদি আসলেই ইমামদেরকে সম্মানিত করতে চান তাহলে- 

ক. ইমাম-খতিব সাহেবরা যতক্ষণ কুরআন ও সুন্নাহবিরোধী কথা না বলবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদেরকে যেন সরকার থেকে কোনো বাধা না দেওয়া হয়। 

খ. সরকারি চাকরির ভেরিফিকেশনের জন্য আবেদনকারীকে মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছ থেকে চারিত্রিক সনদ নিতে হবে, এই আইন সংযুক্ত করার দাবি জানান তিনি। 

গ. সভাপতিকে সালাম না দেওয়ার মতো তুচ্ছ কারণে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের চাকরি চলে যায়, এটা অন্যায়। কী ধরনের ভুলের কারণে ইমাম-মুয়াজ্জিনকে অব্যাহতি দেওয়া হবে, তার সুনির্দিষ্ট বিধিমালা প্রণয়ন করতে হবে। সেক্ষেত্রে আকিদা, চরিত্র ও দায়িত্ববোধ এগুলো সংযুক্ত করার আহ্বান জানাই। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জ্বি, ইনশাআল্লাহ এটা আমরা করব। তখন শায়খে চরমোনাই প্রধানমন্ত্রীকে শুকরিয়া জানান।  

ঘ. ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য যেই সম্মানী ভাতা চালু করা হলো, এটা যেন ইমাম, খতিবদেরকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যম না হয়। এটা করলে বরং হিতে বিপরীত হবে। এই ভাতা যেন তাদের দায়িত্ব স্বাধীনভাবে পালনের জন্য সহায়ক হয়। এসময়ও প্রধানমন্ত্রী শায়খের দিকে তাকিয়ে তাঁকে আস্বস্ত করেন।

  এমএম/