
|
কঠিন বিপদের সময় দোয়া কবুল হয় যে আমলে
প্রকাশ:
২৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:৩২ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
|
মানুষের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন চারদিক অন্ধকার মনে হয়, সব দরজা যেন একসাথে বন্ধ হয়ে যায়। কঠিন বিপদ, ভয়, অসহায়ত্ব ও চরম সংকটের সময়ে মানুষ তখন একমাত্র আল্লাহর দিকেই ফিরে যায়। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে—এই সংকটময় অবস্থায় হতাশ না হয়ে নির্দিষ্ট কিছু আমল ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে। কারণ বান্দা যখন ভাঙা হৃদয় নিয়ে আল্লাহর দরবারে ফিরে আসে, তখনই দোয়া কবুল হওয়ার সর্বোত্তম সময় ও সুযোগ তৈরি হয়। কোরআনের ভাষায়, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। আর যারা আমার ইবাদতে অহংকার করে, তারা অচিরেই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে।’ (সুরা মু’মিন, আয়াত : ৬০)। আল্লাহর কাছে চাইতে হয় দোয়ার মাধ্যমে। নতচিত্তে। অবনত মস্তকে। রব্বেকা’বা ইরশাদ করেন, ‘আমি দোয়া কবুল করি, যখন সে আমার কাছে দোয়া করে। (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৬)। হাদিসে নবীজি (সা.) বলেছেন, দোয়া সব ইবাদতের মূল। এ ক্ষেত্রে হাদিস অনুযায়ী, দোয়া কবুলের উত্তম সময় শেষরাতের দিকে। কারণ, এই সময়ে মহান রাব্বুল আলামিন প্রথম আসমানে এসে বান্দার জন্য ক্ষমা ঘোষণা করে থাকেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মহামহিম আল্লাহ তায়ালা প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকাকালে নিকটবর্তী আসমানে (প্রথম আসমান) অবতরণ করে ঘোষণা করতে থাকেন, কে আছে এমন যে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দেব। কে আছ এমন যে আমার কাছে চাইবে? আমি তাকে তা দেব। কে আছ এমন আমার কাছে ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করব। (বোখারি : ১০৭৯) তবে ছোট্ট একটি আমল রয়েছে, যার উসিলায় কঠিন বিপদের সময়ও মহান রাব্বুল আলামিন বান্দার দোয়া কবুল করেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কেউ যদি পছন্দ করে যে কঠিন এবং দুঃখের সময়ে আল্লাহ তার দোয়া কবুল করবেন, তবে সে যেন সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের সময় বেশি বেশি করে দোয়া করে। (তিরমিজি : ৩৩৮২) |