
|
‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’
প্রকাশ:
১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:৪৯ বিকাল
নিউজ ডেস্ক |
জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল করীম আবরার সোমবার (১২ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বলেছেন, গত শনিবার ১০ জানুয়ারি, ঢাকার সিরডাপ অডিটোরিয়ামে সিজিএস আয়োজিত ‘মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক এক পলিসি ডায়ালগে বিএনপি নেতা ও সাংস্কৃতিক কর্মী পরিচয় দেওয়া জনাব মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মুসলিম নারীদের ব্যবহৃত পোশাক ‘নিকাব’ নিয়ে যে কটুবাক্য উচ্চারণ করেছেন তা স্পষ্টত নারীর প্রতি অবমাননাকর। একই সাথে মুসলিম নারীদের চর্চিত পোষাক ও ইসলামের পর্দার বিধানের প্রতি কটূক্তি। জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে দেশের কোটি মানুষের বোধ-বিশ্বাসের প্রতি আঘাত করা কোন সভ্য মানুষের কাজ হতে পারে না। কোন সুস্থ্য ও দায়িত্ববান মানুষ কোটি কোটি নারীর চর্চিত পোষাক নিয়ে এমন অবমাননাকর কথা বলবে না। জনাব ঠাকুর যে তীব্র বিদ্বেষ নিয়ে কথা বলছেন তা দেখে আমরা হতবাক হয়েছি। দেশের মানুষের বোধ-বিশ্বাসের প্রতি এবং কোটি নারীর পোষাকের প্রতি জনাব ঠাকুর যে কটুবাক্য বলেছেন সেজন্য তাকে প্রকাশ্যে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল করীম আবরার বলেন, সিজিএস দেশের স্বনামধন্য থিংকট্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠান। তাদের আয়োজনে দেশের সিংহভাগ মানুষের বিশ্বাসের প্রতি কটুক্তি করার পরে সিজিএস তার বক্তব্য প্রত্যাহার না করার বিষয়টি হতাশাজনক। আমরা সিজিএসের প্রতি আহবান করবো, অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা দায় সিজিএসের ওপরে আসুক তা আমরা চাই না। জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বলেন, একই অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ অংশ নিয়েছিলেন। সাংগঠনিক বৈঠক থাকায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই জনাব মারুফ বক্তব্য দিয়ে অনুষ্ঠান স্থল ত্যাগ করেন। জনাব ঠাকুরের বক্তব্যের সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। আরএইচ/ |