মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বগুড়াসহ ১৩ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ‘সংসদে মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন শিরকের কাছে চলে যায়’ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা সমঝোতা চুক্তির ‘লঙ্ঘন’ হিসেবে বিবেচিত হবে: আরাগচি জিহাদ, খেলাফত ও ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে মাইক্রোবাস, হতাহত ১১ ইরান বন্দরে মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার, জাহাজ চলাচল শুরু ক্যালিফোর্নিয়ায় যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৮ ‘খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে’র নতুন চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে সিলেটে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ, আটক ৪

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের জরুরি নির্দেশনা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি শীর্ষক প্রকল্পের খাবার বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম, গাফিলতি বা শৈথিল্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেবে সরকার। 

শনিবার (১৬ মে) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য এই জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের গত ১৩ মে জারি করা এক অফিস আদেশের সূত্র ধরে এই নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়। এতে বিদ্যালয়গুলোতে সরবরাহ করা খাবার কঠোরভাবে যাচাই করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণের জন্য প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পচা বনরুটি, পচা ডিম এবং আকারে ছোট ও পচা কলা বিতরণ করা হচ্ছে বলে নানা ধরনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। মানসম্মত খাদ্য সরবরাহে এমন ঘাটতির কারণে এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি কোমলমতি শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি এড়াতে খাবারের মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণের আগে সরবরাহ করা খাদ্যের মান ও পরিমাণ নির্ধারিত শর্তানুযায়ী সঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে খাবার গ্রহণ ও বিতরণ করতে হবে। খাবার যাতে নষ্ট না হয়, সে জন্য বিদ্যালয় পর্যায়ে উপযুক্ত সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিশেষ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরবরাহ করা বনরুটি তাজা, নরম ও সঠিকভাবে মোড়কজাত কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে। প্যাকেজিং অক্ষত ও ফাঙ্গাসমুক্ত হতে হবে এবং প্যাকেটের গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং ১২০ গ্রাম ওজন উল্লেখ থাকতে হবে। ডিমের ক্ষেত্রে তা ফাটা বা দুর্গন্ধযুক্ত কিনা তা দেখতে হবে। কলা অবশ্যই দাগ বা পোকামুক্ত হতে হবে এবং কোনোভাবেই বেশি পাকা বা পচা কলা গ্রহণ করা যাবে না।

এছাড়া ইউএইচটি মিল্ক ও ফর্টিফাইড বিস্কুটের প্যাকেট অক্ষত থাকা এবং মেয়াদ উল্লেখ থাকার বিষয়টি যাচাই করতে বলা হয়েছে। 

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, কোনোক্রমেই নিম্নমানের ও ত্রুটিপূর্ণ খাবার সরবরাহকারীদের কাছ থেকে গ্রহণ করা যাবে না। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান এমন খাবার সরবরাহ করে, তবে তা গ্রহণ না করে তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। শিশুদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই কর্মসূচিতে যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ